নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আশঙ্কায় কাঁপছে গোটা ইউরোপ। যুদ্ধের অশনি সংকেত দেখছে বিশ্ব। এহেন পরিস্থিতিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আবেদনে সাড়া দিয়ে বিদেশে ফৌজ পাঠানোর অনুমতি দিল রুশ পার্লামেন্ট। আবার ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়িয়ে গতকালই ইউক্রেনের বিদ্রোহী দুটি অঞ্চলকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করেছিল মস্কো।
আরও পড়ুনঃ Ukraine: ইউক্রেন নিয়ে আরও আগ্রাসী পুতিন! অশনি সংকেত দেখছে আমেরিকা থেকে ভারত


ইউক্রেনের ডোনেটস্ক এবং লুগানস্ক দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার দাবি করে আসছিল, তাই মঙ্গলবারই সেই অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতেও সই করেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট। ইউক্রেন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কার্যত একঘরে রাশিয়া। রুশ ব্যাংক ও পুতিন ঘনিষ্টদের রুশ ধনকুবেরদের উপর একের পর এক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা।

ঠিক এই অবস্থায় সব্বাই কে চমকে দিয়ে রুশ প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়ালেন খোদ আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আজ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ঠিকভাবে মোকাবিলা করা হলে এখন ইউক্রেনে যা হচ্ছে না, তা হওয়ার কোনও যুক্তিই ছিল না।’ এই প্রসঙ্গেই পুতিনের সঙ্গে পুরনো পরিচয়ের প্রসঙ্গ তুললেন তিনি। বললেন, ‘আমি ভ্লাদিমির পুতিনকে খুব ভালোভাবে চিনি। তিনি এখন যা করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে কখনওই এসব করতেন না।’
সব্বাইকে চমকে দিয়ে ইউক্রেন নিয়ে পুতিনের পাশে দাঁড়ালেন খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্প
তবে ট্রাম্পকে আমল দিতে চাইছে না মার্কিন প্রশাসন। এমনকী হোয়াইট হাউসের রাশিয়া বিষয়ক প্রাক্তন পরামর্শদাতা ফিওনা হিলও পাল্টা ট্রাম্পের দিকেই আঙুল তুলেছেন। বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশনীতি তাঁর ব্যক্তিগত স্বার্থের ওপর নির্ভর করত। তাঁর কথায়, ‘ট্রাম্পের কাছে টিম আমেরিকার কোনও গুরুত্ব ছিল না। আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কিছুই করেননি তিনি। একবারও না। একটা সেকেন্ডের জন্যও নয়।’









