নজরবন্দি ব্যুরো: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তিতে ডোমিসাইল নীতি চালু হল। বি-টেক কোর্সে ডোমিসাইল চালু করার দাবি ছিল বাংলা পক্ষের দীর্ঘ দিনের অন্যতম প্রধান দাবি । এর আগে বাংলা পক্ষ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডোমিসাইল নীতি চালু করার জন্য ব্যপক প্রচার ও আন্দোলন করেছিল। সেই আন্দোলনের ফলেই গতবছর থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ডোমিসাইল নীতি চালু হয়।
আরও পড়ুন: শীলভদ্র দত্তের পদত্যাগ দুঃখজনক: ফিরহাদ


এবছরের গোড়ার দিকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েও একইভাবে ডোমিসাইল নীতি চালু করার দাবিতে বাংলা পক্ষ ডেপুটেশন কর্মসূচী গ্রহণ করে এবং অতিমারীর মধ্যে ইমেল ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী, উপাচার্য এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধানের কাছে আবেদন করা হয় ৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সেই আবেদনের বাস্তবতা মেনে ডোমিসাইল নীতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার জন্য বাংলা পক্ষর তরফে শিক্ষামন্ত্রী, মাননীয়া উপাচার্য এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধানকে বাংলা পক্ষ ও সমগ্র এই বাংলার সমস্ত বাঙালির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে ৷ বাংলা ও বাঙালির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই জয় বড় আনন্দের এবং উৎসাহব্যঞ্জক !
দীর্ঘ দুই বছর ধরে বাংলা পক্ষ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আমরা ভূমিপুত্র সংরক্ষণের বিষয় নিয়ে দাবি জানিয়ে এসেছে। একই ভাবে রাস্তায় নেমে ডোমিসাইল চালুর পক্ষে সংগঠন বাংলার বিভিন্ন জেলায় আন্দোলন করেছে। এবং বাংলার সকল বিধায়কদের কাছে দাবিপত্র পেশ করছে ৷
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডোমিসাইল চালু হওয়ার ফলে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পথ আরও প্রশস্ত হলো। এতদিন ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা ডোমিসাইল ব্যবস্থা চালু না থাকার ফলে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের বঞ্চিত করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-টেক পড়ার সুযোগ পেতো।


এরফলে প্রতি বছর বাংলার বহু ছাত্রছাত্রী যোগ্যতা থাকলেও ইঞ্জিনিয়ারিং পরার সুযোগ পেতো না। এর সুদূরপ্রসারী ফল হিসেবে বাংলার শিল্প ক্ষেত্রে বাংলার বেকারিত্বে প্রভাব পড়ত।
বাংলা পক্ষর লড়াইয়ের জের, প্রথমে যাদবপুর এবং পরে কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ডোমিসাইল আনার আন্দোলনের এই সফলতা ডাক্তারি পড়ার ক্ষেত্রে রাজ্যের প্রতিটি মেডিকেল কলেজে ডোমিসাইল লাগু করার দাবির যৌক্তিকতাকে আরও জোরালো করল।







