‘অবিচার হয়েছে সৌমেন্দুর প্রতি’, বিচার চেয়ে নেত্রীর কাছে চিঠি দিব্যেন্দুর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: ‘অবিচার হয়েছে সৌমেন্দুর প্রতি’, আগেই ভাই সৌমেন্দুকে প্রশাসক পদ থেকে অপসারণ করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন, দাদা দিব্যেন্দু অধিকারী। এবার এবিষয়ে এদিন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দেন তিনি। চিঠিতে জানান, তাঁর ভাইকে পুর্নবহাল না করা হলে, শুধু তিনি নন, তাঁর বাবা শিশির অধিকারীও পুরসভায় যাবেন না। সৌমেন্দুকে অপসারণের বিষয়টি সকলের প্রকাশ্যে আসতেই, রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানোতর। আর তারপরই শাসকদলের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া নেন।

আরও পড়ুনঃ এবার খোদ কলকাতায় করোনার নয়া ব্রিটেন স্ট্রেনের হদিস মিলল!

তাতে লেখা, “এক তৃণমূল নেতার মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে অবিচার ও অনৈতিক সিদ্ধান্তের শিকার হতে হচ্ছে সৌমেন্দুকে। অবিলম্বে তাঁকে দায়িত্ব ফেরাতে হবে। পুরনো প্রশাসক বোর্ডের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে হবে।” এছাড়াও তিনি এও বলেন, তা না হলে তাঁর মতোই তাঁর বাবা শিশির অধিকারীও ওই একই পথে হাঁটবেন। তিনি এবং তাঁর বাবা ও ভাই সৌমেন্দু তৃণমূলে ছিলেন আর আছেন। তবে নাম না করে যে সাংসদকে তিনি কথার জালে বিঁধলেন, তিনি হলেন, রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি।

কারণ, সম্প্রতিই সৌমেন্দুর বিরুদ্ধে পুরসভায় বসে বিজেপির হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। পরিবারতন্ত্রের সমীকরণেই কী সৌমেন্দুকে প্রসাশকের পদ থেকে অপসারণ! ‘দাদার অনুগামী’ পোস্টার ফেলে জল্পনাকে জিইয়ে রেখে অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন নন্দীগ্রামের ডাকাবুকো নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তিনি। কিন্তু পরিবারের কেউই এখনও তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পক্ষে কথা বলেননি। তবে গতকাল আচমকাই শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দুকে প্রশাসকের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। কিন্তু হঠাৎ এই অপসারণ কেন? মুখ খুললেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী

‘অবিচার হয়েছে সৌমেন্দুর প্রতি’, এদিন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী জানান, “যাকে প্রশাসক পদে বসানো হয়েছে তিনি এলাকার ভোটারই নন। প্রায় ৫০ বছর ধরে কাঁথি পুরসভার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক। পুরসভায় আমার একটি অফিস ছিল। সেখানে আর যাব না। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করছি।” প্রতিবাদ জানালেও এদিনও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন দিব্যেন্দু। বলেছেন, “সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছি। কিন্তু আমি তৃণমূলের সাংসদ। বাবা জেলা সভাপতি। দিদির প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর