নজরবন্দি ব্যুরোঃ আর কয়েকদিন পরেই রাজ্যের চার পুর এলাকার নির্বাচন। ২২ জানুয়ারি রয়েছে বিধাননগর পৌরনিগমের নির্বাচন। তারই প্রচারে বৃহস্পতিবার সকালে বেরিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু সেখানেও তাঁকে প্রচারে বাধা দেয় পুলিশ। বিজেপি নেতাদের মাইকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়ে পুলিশের তরফে। পুলিশের হুঁশিয়ারির বিরুদ্ধে পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিলীপের। বললেন, ধামাকাদার প্রচার হবে। ভোট বন্ধ না হওয়া অবধি মিটিং মিছিল চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ বিপর্যয় ঘোষনা করে নির্বাচন পিছিয়ে দিক আদালত, জোরালো সওয়াল বিকাশ ভট্টাচার্যের।
উল্লেখ্য, এদিন সকালে ৩২ এবং ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে নেমেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। দুই প্রার্থী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য এবং রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল থেকেই মাস্ক পরিহিত দিলীপ ঘোষকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। কিন্তু সেখানেই প্রচারে বাধা দেয় বিধাননগর থানার পুলিশ। অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের বিধি লঙ্ঘন করে প্রচার করছেন তাঁরা। এমনকি প্রচার চালিয়ে গেলে তাঁদেরকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
পাল্টা দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, কলকাতায় সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। কোভিড বিধি কেউ মানছে না। এটা গর্বের বিষয়। সমস্ত দলের পোস্টার ফ্লেক্স ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে। একমাত্র তৃণমূলের ঠিক রয়েছে। সরকারের ঘোষণা শাসক দল মানছে না। ৬০০ জন নিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। মেলা চলছে, খেলা চলছে, অথচ বিজেপিকে আটকানো হচ্ছে। আসানসোলে আটকানোর পর এখানেও আটকানো হচ্ছে।
মাইকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি, পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিলীপের

প্রসঙ্গত, এর আগে আসানসোলে দুই প্রার্থীর প্রচারে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। প্রতিবাদে ধর্নায় বসতে দেখা যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতিকে। আসানসোলে পর পর দুইবার আটকানোর পর এবার বিধাননগরেও আটকানো হল দিলীপ ঘোষকে।



