নজরবন্দি ব্যুরোঃ নেতারা গরু-ছাগল হলে আটকে রাখতেন, কিন্তু তারা তো সেটা নন তাই আটকে রাখা যাচ্ছেনা। এভাবেই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ২০০+ আসন জিতে রাজ্যে সরকার গড়ার হুঙ্কার দিয়েছিল বিজেপি। তৃনমূল থেকে একের পর এক নেতা ক্ষমতার অলিন্দে থাকার সুখভোগ করতে যগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। যদিও তাদের আশা পূরণ হয়নি।


২০০ থেকে অনেকতা দূরে মাত্র ৭৭ আসনে থমকে যায় বিজেপি। রাজ্য থেকে মুছে যায় বাম-কংগ্রেস। নির্বাচনে সরকার গড়ার ম্যাজিক অঙ্ক টপকাতে না পারলেও দিলীপ ঘোষরা উঠে আসেন ২ নম্বরে। ২০১৬ সাথে ৩ বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৭-এ। প্রধান বিরোধী দলের তকমা পায় বিজেপি। কিন্তু দলের সাফল্যে দলের ‘আসল’ কর্মী নেতা উৎসাহিত হলেও যাদের ক্ষমতার অলিন্দে থাকার অভ্যাস। যাদের তৃণমূলে দমবন্ধ লাগছিল ভোটের আগে তাঁদের শ্বাসকষ্ট শুরু হয় নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ে।
একের পর এক বিধায়ক নাম লেখাতে শুরু করেন তৃণমূলে। ৭৭ টি আসনে জয়লাভ করেও বিজেপি এখন ৭১! এই অস্বাভাবাবিক ক্ষয় দেখে কিছুটা হতাশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি। নেতারা গরু-ছাগল হলে আটকে রাখতেন, এই ধরনের মন্তব্য করতেও পিছপা হননি তিনি। নেতাদের দলবদল প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ”দলবদল এখন ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। কেউ তো গরু-ছাগল নয় যে জোর করে আটকে রাখব। মুকুল রায় যদি যেতে পারেন তাহলে অন্য যে কেউ যেতে পারেন।”
নেতারা গরু-ছাগল হলে আটকে রাখতেন, হতাশ দিলীপ ঘোষ!



উল্লেখ্য, ২০০ আসন পাওয়ার দাবি করা বিজেপি নির্বাচনের শেঠে ৭৭টি আসনে জয়ী হয়। যদিও নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার বিধায়ক পদ গ্রহণ না করায় বিজেপি বিধায়কের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৭৫-এ। পরে দল ছাড়েন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়, বিষ্ণুপুরের তন্ময় ঘোষ, বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়। যার ফলে এখন বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৭১-এ।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



