নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৭ টি পুর এলাকার নির্বাচন। শেষ সপ্তাহের প্রচারে নেমেছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। কলকাতা সহ চার পুর এলাকার নির্বাচনে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে তৃণমূল। বিপুল ভোটে তৃণমূলের জয়ের পিছনের ঘাসফুল শিবিরের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সেই সুরে সুর মেলাল বিজেপি। প্রার্থী দিতে না পারার জন্য সাংগঠনিক দুর্বলতা নয়, বরং তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুনঃ গ্রাহক ধরতে BSNL-এর অবিশ্বাস্য অফার, একনজরে দেখুন রিচার্জ প্ল্যানগুলি
শনিবার সকালে কৃষ্ণনগরে চায়ে পে চর্চা সারছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, বীরভূম এবং ডায়মণ্ডহারবারের ৩ টি পুরসভা এলাকায় প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। সন্ত্রাস না করে তৃণমূল জিততে পারবে না। ৪০ বছর ধরে সিপিএমের আমল থেকেই সন্ত্রাস চলছে। সেই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পার্টিকে বড় করেছে। লোকসভা বিধানসভায় একইভাবে জয়লাভ করেছেন। পৌরসভাতে একাধিক জায়গায় জিতবেন বলে আশাবাদী মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ।
একাধিক জায়গায় প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। তার কারণ হিসাবে তৃণমূলের আক্রমণাত্মক মনোভাব অন্যতম কারণ হলেও সাংগঠনিক দুর্বলতাকে এড়িয়ে যেতে চাইছেন না দলের নেতারাই। এবিষয়ে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, সারা বাংলায় সাংগঠনিক দুর্বলতা থাকলে এত প্রার্থী কী করে দিলাম?
তাঁর সংযোজন, কলকাতায় এত সন্ত্রাসের মধ্যেও আমরা প্রার্থী দিতে পেরেছি। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বাচন করানো হচ্ছে। রাস্তায় বের হতে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। পুলিশ-গুণ্ডাকে কাজে লাগিয়ে ভোট করানো হচ্ছে। সেন্ট্রাল ফোর্স নেই প্রার্থী হয়ে দাঁড়াতে ভয় পাচ্ছেন কর্মীরা। তৃণমূলের একজন প্রার্থী ৯০ শতাংশ ভোট পান কীভাবে? রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সাংগঠনিক দুর্বলতা নয়, তৃণমূলকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

তবে ভোট বাড়লেও বেশ কিছু জায়গায় নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকার কারণে একাধিক আসন হাতছাড়া হয়েছে। এমনটাই মনে করছেন দিলীপ ঘোষ। আমাদের ভোট পার্সেন্ট ১০ ছিল সেখান থেকে ৩৮ শতাংশ হয়েছে।



