নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিল্লী পৌঁছতেই একের পর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক রাজ্যপাল ধনখরের। একদিকে দলের নেতা কর্মীদের একের পর এক পদত্যাগ ও বেসুরো গাওয়া সাথে ভোট পরবর্তী হিংসা, সবমিলিয়ে যথেষ্ট চাপে রাজ্য বিজেপি। এমন অবস্থায় দলের ভাঙন ঠেকাতে ও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে দরবার করতে জনা ২৪ বিধায়ক নিয়ে রাজভবনে দুদিন আগেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশে অবশেষে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি ‘মহাগুরু’।
আর ওই বৈঠকের পরেই গতকাল সোজা দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর। কাল রাত্রে দিল্লী পৌঁছনোর পরে আজ সকাল থেকেই একের পর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করতে ছুটছেন তিনি। প্রথমেই তিনি দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর সঙ্গে। পরে তিনি বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল এর সঙ্গে। এদিনই তাঁর দেখা করার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গেও। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তিনি দেখা করতে পারেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে। স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যপাল এত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতিকে কী জানাবেন? জানা যাচ্ছে একগুচ্ছ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে রাজ্যপালের দিল্লী সফরে। যে কারণে তাঁর এই সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
প্রথমত তিনি বাংলায় ভোট পরবর্তী অশান্তি এবং রাজনৈতিক হিংসা ও সেই হিংসায় বলি হওয়া মানুষদের কথা তুলে ধরবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির কাছে। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলে সংশ্লিষ্ট দফতরের বিষয়ে রাজ্যের জন্য কিছু পরিকল্পনা প্রস্তাব পেশ করতে পারেন তিনি। প্রসঙ্গত এর আগে রাজ্যের হিংসা কবলিত অঞ্চল ঘুরে এসে কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠান রাজ্যপাল। যদিও এই বিষয়ে রাজ্যপাল নিজে কিছু জানাতে চাননি।
দিল্লী পৌঁছতেই একের পর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক রাজ্যপাল ধনখরের। রাজ্যে বিরোধী দলগুলি বিশেষ করে বিজেপির পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তবে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন কোন রাজ্যের রাজ্যপাল দিল্লি সফরে এসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাড়িতে যাননি সচরাচর এমন ঘটনা দেখা যায় না। ধনখর কেন যাচ্ছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।








