বিচারপতির বাড়িতে কাড়ি কাড়ি টাকা! ‘মানুষ দেখুক কী করুণ দশা’, কটাক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এই ঘটনায় দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা দেন, যা নজিরবিহীনভাবে আপলোডও করা হয়েছে শীর্ষ আদালতের ওয়েবসাইটে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতের বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে আগেও সরব হয়েছেন তিনি। এবার দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার (Justice Yashwant Verma) বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ পোড়া নগদ নোট উদ্ধারের ঘটনায় ফের মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সাফ মন্তব্য— “মানুষ দেখুক, বিচারব্যবস্থার কী করুণ দশা!”

ঘটনার সূত্রপাত হোলির দিন। আগুন লাগে বিচারপতি যশবন্ত বর্মার দিল্লির সরকারি বাংলোয়। দমকলকর্মীরা আগুন নেভাতে গিয়ে সেই বাড়ির গুদামঘরে দেখতে পান কাড়ি কাড়ি পোড়া টাকা। তদন্তে উঠে আসে, বাংলোর একটি ঘরে রাখা ছিল বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, যেগুলি আগুনে পুড়ে গেছে। সূত্রের খবর, বাড়ির গুদামঘরে ছিল টাকা বোঝাই বাক্স।

বিচারপতির বাড়িতে কাড়ি কাড়ি টাকা! ‘মানুষ দেখুক কী করুণ দশা’, কটাক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিচারপতির বাড়িতে কাড়ি কাড়ি টাকা! ‘মানুষ দেখুক কী করুণ দশা’, কটাক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
বিচারপতির বাড়িতে কাড়ি কাড়ি টাকা! ‘মানুষ দেখুক কী করুণ দশা’, কটাক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এই ঘটনায় দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা দেন, যা নজিরবিহীনভাবে আপলোডও করা হয়েছে শীর্ষ আদালতের ওয়েবসাইটে। ফলে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে প্রবল চাঞ্চল্য।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া: সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লিতে রয়েছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “মানুষই দেখুক বিচারব্যবস্থার কী অবস্থা! যাঁদের উপর গোটা বিচারব্যবস্থার দায়িত্ব, তাঁদের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি দেশের মানুষের আস্থাকে ধাক্কা দেয়।”

এতদিন বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিষেক একাধিকবার মন্তব্য করেছেন। এবার তিনি সরাসরি ইঙ্গিত দিলেন যে, বিচারপতির ঘরে টাকা পাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করছে, দেশের বিচারব্যবস্থা পক্ষপাতহীন ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি যশবন্ত বর্মা দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক চক্রান্ত চলছে। তাঁর বক্তব্য, “ওই ঘরটি আমার বসবাসের অংশ নয়। বহু মানুষ সেখানে যাতায়াত করত। অনেক পুরনো জিনিস ও নথি সেখানে রাখা ছিল। আমি ও আমার পরিবার অনলাইনের মাধ্যমে বা ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমেই সব লেনদেন করি। ওই টাকার সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত