সামান্য স্বস্তি, টানা ১২ দিন পর দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণে কমে চল্লিশ হাজার।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সামান্য স্বস্তি, টানা ১২ দিন পর দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণে কমে চল্লিশ হাজার। ফের গোটা দেশে ঝোরো ইনিংস খেলতে শুরু করেছে করোনা। লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ বারা নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসামহল একে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ বলেই জানিয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মহারাষ্ট্রের। সেখানে দৈনিক সংক্রমণ ত্রিশ হাজারের উপরে। গতকাল, সোমবার পাঁচ মাসের রেকর্ড ভেঙে ৪৭ হাজার নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছিল দেশে।

আরও পড়ুনঃ আজ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ান ডে তে অনন্য রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ‘হিটম্যান’ রোহিত।

মৃত্যুও ছিল দুশোর বেশি। কুড়ি সালের সেপ্টেম্বরের পর থেকে দৈনিক সংক্রমণের হারে এতটা বৃদ্ধি হয় কখনও হয়নি। তবে আজকের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে দেশবাসীকে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টয় নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৪১ হাজারের কাছাকাছি। গত দু’দিন ধরে দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৪৫ হাজারের বেশি। স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলছে, টানা ১২ দিন পরে ৪০ হাজারের কাছাকাছি নেমেছে সংক্রমণের কার্ভ। দৈনিক সংক্রমণের হারও কিছুটা কম। তবে সামান্য স্বস্তি দিলেও এখনই নিশ্চিন্ত হতে নারাজ স্বাস্থ্যমন্ত্রক। তাঁদের তরফ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যেভাবে রাস্তাঘাটে জনসমাগম হচ্ছে, বাসে-ট্রেনে মানুষের ভিড় বাড়ছে তাতে ফের এক লাফে সংক্রমণ ৪৫ হাজারে উঠে যেতে পারে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে সব রাজ্যগুলিকে কোভিড টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। অ্যান্টিজেন টেস্টের বদলে রিয়েল টাইম আরটি-পিসিআর টেস্টে জোর দিতে হবে। কনটেইনমেন্ট জ়োনগুলিতে কনট্যাক্ট ট্রেসিং বাড়াতে হবে। মহারাষ্ট্রে করোনা পরিস্থিতির বিশেষ কোনও উন্নতি হয়নি। দৈনিক সংক্রমণ ফের ২৪ হাজারের কাছাকাছি। পাঞ্জাব, কর্নাটক, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ মিলিয়ে মোট ৮০ শতাংশ সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এই রাজ্যগুলিতে ভাইরাস সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেশি। দেশে কোভিড অ্যাকটিভ কেসের হার ৩ শতাংশ ছুঁতে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজারের ওপর কোভিড অ্যাকটিভ রোগীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে।

সামান্য স্বস্তি, টানা ১২ দিন পর দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণে কমে চল্লিশ হাজার। ইতিমধ্যেই করোনা রুখতে নয়া গাইডলাইন জারি করেছে কেন্দ্র। করোনা রুখতে মানুষকে সচেতন হতে হবে নইলে লকডাউন ছাড়া কোন উপায় থাকবে না একথা আগেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এখন দেখার নিম্নমুখী গ্রাফকে মানুষের সতর্কতার সাহায্যে নিয়ন্ত্রনে আনা যায় কিনা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন