নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত চার বছরে মে মাসে চারটি বড় মাপের ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। তার মধ্যে আমপান এবং ইয়াস আছড়ে পড়েছিল এ রাজ্যে। এ বারও কি সেই মে মাসে ফের তেমন কোনও বিপদ ঘনাবে? এপ্রিলের অসহনীয় গরমে ওষ্ঠাগত ছিল রাজ্যবাসী। কিন্তু, চলতি মাসের শুরুতেই আবহাওয়ার ভোলবদল। এক ধাক্কায় তাপমাত্রা কমে আরামদায়ক পরিস্থিতি রাজ্যজুড়ে।
আরও পড়ুন: অমর্ত্য সেনের বাড়ি ভাঙার উদ্যোগ! কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত মমতার


বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার জেরে কিছুটা অস্বস্তি থাকলেও ঝোড়ো হাওয়া আর বৃষ্টি অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত।আর যার জেরে রাজ্যে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি। যদিও মৌসম ভবন জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবেই, এমন নিশ্চয়তা এখনও নেই। আগামী শনিবার নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে।

তৈরি হওয়ার পরের ৪৮ ঘণ্টায় সেটি শক্তি বৃদ্ধি করে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আবহবিদদের অনেকে বলছেন, বর্ষার ঠিক আগে এবং বর্ষা বিদায়ের ঠিক পরে আবহাওয়া ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল থাকে। তাই মে এবং অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় অস্বাভাবিক নয়। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে।



যা শীঘ্রই নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে বাংলায় কোনও ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।জানা গিয়েছে, ৬ মে দক্ষিণ পূর্ব বা দক্ষিণ মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। ৭ তারিখ থেকে সেটি শক্তিশালী হবে। সেই ঘূর্ণাবর্ত থেকে ৮ তারিখ নিম্নচাপ তৈরি হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী সপ্তাহ থেকে শহর এবং রাজ্যজুড়ে এর কী প্রভাব পড়তে পারে, তার পূর্বাভাস এখনও মেলেনি।
সত্যিই কি আসছে ঘূর্ণিঝড়? কী বলছে হাওয়া অফিস

তবে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা না থাকলেও রাজ্য প্রশাসন আগেভাগেই সতর্ক রয়েছে।গত মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য সচিব সংশ্লিষ্ট সমস্ত দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বর্ষা শুরুর আগে নদীর বাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে শেষ দপ্তর। তাছাড়াও পয়লা জুন থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত থাকবে কন্ট্রোল রুম। সবমিলিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা না থাকলেও কিন্তু আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে রাখছে বলেই খবর।







