শ্রীকৃষ্ণ মাইতি, খেজুরী, পূর্ব মেদিনীপুর: লক্ষ্য ২১শের নির্বাচন। ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করছে সিপিআইএম! “রুটিরুজি–আক্রান্ত গণতন্ত্র” সারাদেশে ১৭ থেকে ২২ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সি,পি,আই(এম)র কেন্দ্রীয় কমিটির ডাকে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে । পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী ১নং ব্লকের বাঁশগোড়া বাজার থেকে কামারদা বাজার পর্যন্ত কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনস্বার্থ বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে এবং জনস্বার্থে আশু জ্বলন্ত দাবিগুলো নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল সংঘটিত হয়।
আরও পড়ুনঃ D.EL.ED মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড়। শিক্ষকদের স্বস্তি দিল হাইকোর্ট।
উপস্থিত ছিলেন রাজ্য নেতৃত্ব হিমাংশু দাস, পরিতোষ পট্টনায়েক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব গন। ২০১১সালে বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য দখল করেন মা মাটি সরকার, সেই থেকে এক এক করে নেতা নেত্রী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় বামেদের।লকডাউনের মধ্যে ঝাণ্ডা হাতে পথে নেমে পুরানো জায়গা ফিরে পেতে মরিয়া সি,পি,আই(এম)। রাজ্য সহ গোটা দেশে যখন গেরুয়া শিবির ঝড় তুলেছে, ঠিক সেই সময় নিজেদের উজ্জীবিত করে বাঁচার জন্য মরিয়া হয়ে আদাজল খেয়ে ময়দানে নেমেছে সি, পি, আই এম।
তবে বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের জয় নিশ্চিত করতে পারবে কি না তা নিয়ে ভাবনা রয়েছে দলের নেতৃত্বদের মধ্যে। উল্লেখ্য, পালাবদলের পর হাতছাড়া হওয়া বামেদের একদা দূর্গ কেশপুরে কদিন আগেই বিভিন্ন দল থেকে সিপিআইএমে যোগ দিয়েছেন প্রায় ১২৫ টি পরিবার।এই যোগদানেরবেশির ভাগই বিজেপি থেকে আগত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই এই পরিবারগুলির সদস্য রা বিজেপি-র সমর্থক ছিলেন। সেই ধারা অব্যাহত থাকে লোকসভা নির্বাচনেও। কিন্তু করনা পরিস্থিরি সব বদলে দিল।
জানা গিয়েছে এই পরিবারগুলির একাধিক সদস্য পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু অপরিকল্পিত এবং আচমকা লকডাউনে আটকে পরেন তাঁরা। সেই সময় বিভিন্ন রাজ্যে মূলত বামেদের উদ্যোগে তাঁদের কাছে খাওয়ার সহ ন্যুনতম ব্যাবহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে লকডাউনে যখন মানুষ খেতে পাচ্ছেন না, তখন সিপিআইএমের তরফে কমিউনিটি কিচেন গড়ে নিরন্ন মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দেওয়া হয় কেশপুরে। যোগদানকারীরা জানিয়েছেন, “লকডাউন কাছের মানুষ চিনিয়েছে। জানিনা আমাদের সমর্থনে লাল পার্টি ভোটে জিতবে কিনা, কিন্তু আমাদের আজীবন সমর্থন থাকবে। এরা যা করেছে তা ভোলার নয়।” বলা বাহুল্য, এই যোগদান নতুন করে অক্সিজেন জুগিয়েছে আলিমুদ্দিন কে।



