নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাত ছেড়ে একলা চলো CPIM-এর, ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে লড়বেন মীনাক্ষী? এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মমতার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিপুল ভোটে জয়ও পান তিনি। রাজ্যেও ফের ক্ষমতায় ফিরে আসে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবারে দাঁড়িয়েছিলেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে নিজের একদা শিষ্য শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। মারকাটারি লড়াইয়ের পর সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি।
আরও পড়ুনঃ চড় খেয়ে বেড়েছে জেদ, ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে লড়তে চান রুদ্রনীল!


এদিকে সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী ভোটে হেরে মন্ত্রীপদে বসলে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচনে জিততে হয়। সেইমতো ঠিক হয় উপনির্বাচনে মমতা লড়বেন নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই। ফলে নিজের জয়লাভ করা বিধায়ক আসন ছাড়তে হয় রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়া শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এদিকে নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রীপদে থাকতে গেলে তাঁকেও জিততে হবে নির্বাচনে। ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট ভবানীপুরে, ৬ তারিখ মনোনয়নের শেষ দিন।
হাত ছেড়ে একলা চলো CPIM-এর!

অন্যদিকে খরদহ কেন্দ্রে তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেও ফল প্রকাশের আগেই করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা। তাই ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। সেখানেই লড়বেন শোভনদেব। এদিকে হাইপ্রোফাইল নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছিল মীনাক্ষীকে। বাজেয়াপ্ত হয় জামানত। কিন্তু সেই লড়াইয়ে প্রচারের লাইমলাইটে চলে আসেন বাম যুব নেত্রী। সূত্রের খবর আলিমুদ্দিনের অন্দরমহলে দাবি উঠেছে মমতার বিরুদ্ধে মীনাক্ষীকে প্রার্থী করা নিয়ে।


অধিকাংশের দাবি প্রার্থী হোন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। হাত ছেড়ে একলা চলো CPIM-এর, সূত্র জানাচ্ছে জোটস্বার্থে ‘২১ নির্বাচনে কংগ্রেসকে ভবানীপুর আসন ছেড়েছিল সিপিআইএম। এই কেন্দ্রেও জামানত বাজেয়াপ্ত হয় জোট প্রার্থীর। তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ৭৩ হাজার ৫০৫ টি ভোট পান, দ্বিতীয় হন বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষ। তিনি পান ৪৪ হাজার ৭৮৬ ভোট। সংযুক্ত মোর্চার কংগ্রেস প্রার্থী সহদেব খান পান ৫ হাজার ২১১ ভোট।







