বেজে গেছে ভোটের বাদ্যি। সামনেই মহারণ। ঘোষণা হয়ে গেছে পরীক্ষার দিনক্ষণ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার ভোট ঘোষণার পর সারা দেশ জুড়ে লাগু হয়ে গেছে নির্বাচনী আচরণ বিধি। দেশ জুড়ে প্রচারে নেমে পড়েছেন শাসক-বিরোধী সব দল।
আরও পড়ুন: বিজেপির প্রাপ্ত নম্বর ৮২৫০, বিরোধীরা একত্রে ছুঁতেই পারেনি ম্যাজিক ফিগার!
৬৩ দিনে ৬৬০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে অবশেষে ১৭ মার্চ শেষ হয়েছে রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’। আজ ১৮ মার্চ মুম্বইয়ে রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’র শেষে বিরোধী মঞ্চ ‘ইন্ডিয়া’র সমাবেশে যোগ দিচ্ছে না দুই প্রধান বাম দল সিপিএম এবং সিপিআই।

বাস্তবে বিভিন্ন রাজ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে কংগ্রেসের মনোভাবে দুই বাম দলের শীর্ষ নেতারা ক্ষুব্ধ। তাঁদের অভিযোগ, কোনও রাজ্যেই কংগ্রেস সিপিএম, সিপিআই-কে একটি, দু’টি আসনও ছাড়তে চাইছে না। মমতা বন্দোপাধ্যায় ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে রাজ্যের ৪২ টি লোকসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যত কার্যত বিশ বাঁও জলে।

ন্যায় যাত্রার পরিসমাপ্তি, মুম্বইয়ে আজ বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, কেন অনুপস্থিত বামেরা?
সিপিএম নেতারা মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গে বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে বিশেষ উৎসাহ নেই, যতটা তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে উৎসাহী ছিলেন। তৃণমূলের মতো এখন বামেরাও ‘ইন্ডিয়া’র আসন সমঝোতা নিয়ে কংগ্রেসের মনোভাবে অখুশি। অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে জোটের কথা ভেবে প্রকাশ্যে কেউই মুখ খুলছেন না।




