‘রাজার ঘরে যে ধন আছে, টুনির ঘরেও সে ধন আছে’। কিন্তু সত্যিই কি তাই! নির্বাচনী বন্ডে কার কত আছে সেই তথ্য নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ বিজেপি-কংগ্রেস-তৃণমূলের। আজ নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী বন্ড নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছে।
আরও পড়ুন: ফের ‘সুপ্রিম’ তোপের মুখে SBI, ‘না লুকিয়ে’ নির্বাচনী বন্ডের ‘সম্পূর্ণ’ তথ্য পেশের নির্দেশ
তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০১৮-র মার্চ মাসে নির্বাচনী বন্ড চালু করে নরেন্দ্র মোদী সরকার। যেখানে রাজনৈতিক দলকে কারা কোটি কোটি টাকা চাঁদা দিচ্ছে, তা গোপন রাখার ব্যবস্থা চালু করা হয়। ৫ থেকে ৯ মার্চ—এই পাঁচ দিনেই বিজেপির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নির্বাচনী বন্ড মারফত ২১০ কোটি টাকা জমা পড়েছিল।

২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৪-এর জানুয়ারি মাসের মধ্যে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে মোট ১৬,৫১৮ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছিল। এর প্রায় অর্ধেক, ৮২৫০ কোটি টাকা চাঁদা বিজেপি একাই পেয়েছিল। কার কাছ থেকে বিজেপি এত টাকা চাঁদা পেয়েছিল তা অবশ্য গোপন রাখা হয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্কের দেওয়া তথ্যে।

এর আগে স্টেট ব্যাঙ্কের দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, ২০১৯-এর এপ্রিল থেকে ২০২৪-এর জানুয়ারির মধ্যে আয়ের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তাঁরা বিজেপির থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। তৃণমূল নির্বাচনী বন্ড থেকে পেয়েছে ১,৩৯৭ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা কংগ্রেস পেয়েছে ১,৩৩৪ কোটি। তেলেঙ্গানার বিআরএস পেয়েছে ১,৩২২ কোটি টাকা।
বিজেপির প্রাপ্ত নম্বর ৮২৫০, বিরোধীরা একত্রে ছুঁতেই পারেনি ম্যাজিক ফিগার!

পঞ্চম স্থানে আছে ওড়িশার শাসক দল বিজেডি পেয়েছে ৯৪৪.৫ কোটি। তামিলনাড়ুর ডিএমকে পেয়েছে ৬৫৬.৫ কোটি টাকা, অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেস পেয়েছে ৪৪২.৮ কোটি টাকা। জেডিএসের পেয়েছে ৮৯.৭৫ কোটি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল বিরোধী সব দলগুলির মিলিত অর্থের পরিমাণ বিজেপির প্রাপ্ত অর্থ ছুঁতে পর্যন্ত পারেনি।



