চূড়ান্ত সাফল্যের পথে কোভ্যাক্সিন। টিকাদানের পরিকল্পনা গড়তে চিঠি কেন্দ্রের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ চূড়ান্ত সাফল্যের পথে কোভ্যাক্সিন। টিকাদানের পরিকল্পনা গড়তে চিঠি কেন্দ্রের। করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে আসার পর তা কী ভাবে বিতরণ করা হবে, সে বিষয়ে রূপরেখা তৈরির উদ্যোগ শুরু করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। আশা করা হচ্ছে চলতি বছরের শেষ মাসেই হাতে চলে আসবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন। তাই রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল গুলোকে চিঠি দিল কেন্দ্রিয় সরকার।

আরও পড়ুনঃ প্রায় অর্ধেক করা হল RT-PCR পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষার রেট

ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি পেয়ে গেলে সাথে সাথেই যাতে তা দেশের প্রতিটি কোনায় থাকা জনগনের কাছে সুষ্ঠ ভাবে পৌঁছে দেওয়া লক্ষ্য। আর সেই উদ্দেশ্যেই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারগুলিকে চিঠি দিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রিয় সরকার।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “কোভিড-১৯ মহামারি প্রতিরোধের জন্য কার্যকরী পদ্ধতিটি হল টিকাকরণ। এর জন্য প্রতিষেধকের সংরক্ষণ এবং কোল্ড চেনের মাধ্যমে তা যথাযথ বণ্টনের জন্য একটি শক্তিশালী প্রক্রিয়ার দরকার। দৃঢ় পরিকল্পনার মাধ্যমে বিষয়গুলিকে নিশ্চিত করা আবশ্যক”।

চূড়ান্ত সাফল্যের পথে কোভ্যাক্সিন। তাই কোভ্যাক্সিনের সাফল্যের কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা গড়ছে সরকার বলে খবর। প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপ সাফল্যের সাথে উতরে যাওয়ার পর আগামী ১৫ই অক্টোবর শুরু হবে দেশি টিকা কোভ্যাক্সিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল। পাঞ্জাবের ৩ টি মেডিক্যাল কলেজ এবং নয়ডার চাইল্ড পিজিআই (The Super Speciality Paediatric Hospital and Post-Graduate Teaching Institut) তে এই ট্রায়াল চলবে। ট্রায়ালের ফলাফল আশাব্যাঞ্জক হলেই বাজারে ছাড়া হবে টিকা।

কদিন আগে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর পাওয়া গেছিল ভার্গব জানিয়েছেন, ভারতে তৈরি দুটি করোনা প্রতিষেধকের দ্বিতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল প্রায় শেষ। কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে এখনই তাঁদের ছাড়পত্র দিতে পারে। অর্থাত্‍ ভ্যাকসিন প্রস্তুত চাইলে তা মানবজাতীর কল্যানে ব্যাবহার করা যেতে পারে।

কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ICMR এর ডিজি বলরাম ভার্গব। ওই বৈঠকে হাজির থাকা এক সাংসদ পিটিআই কে জানিয়েছেন, ভার্গবকে বৈঠকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কত দিন করোনা ভাইরাসে ভয় মাথায় নিয়ে থাকতে হবে মানুষকে? জবাবে ভার্গব জানান, দেশে তৈরি দু’টি করোনা প্রতিষেধকের দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষের পথে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে এখনই টিকা গুলিকে অনুমোদন দিতে পারে।

এই দুটি প্রতিষেধক হল ভারত বায়োটেক এবং জাইডাস ক্যাডিলার ভ্যাকসিন। পাশাপাশি অক্সফোর্ডের টিকার চূড়ান্ত অর্থাত্‍ তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল করছে সিরাম ইনস্টিটিউট। ভারতের করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন নিরাপদ বলে আগেই সুখবর দিয়েছে ভারত বায়োটেক। জানা গিয়েছে করোনা ভাইরাসের টিকায় নজিরবিহীন সাফল্য পেতে চলেছে ভারত। আইসিএমআর ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির সাহায্য নিয়ে এই টিকা তৈরি করেছে হায়দরাবাদের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেক। টিকার নাম দেওয়া হয়েছে কোভ্যাক্সিন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত