আগামী ১৪ ই জুলাই রবিবার শুভেন্দু অধিকারীদের রাজভবনের সামনে ধর্নায় অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট। রাজ্যের তরফে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ মেনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে কোনো বাধা না থাকায় ধর্নায় অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। বুধবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিংহের বেঞ্চেই ছিল এই মামলার শুনানি।
তবে তার আগে এই কর্মসূচিতে হাইকোর্টের তরফে বেঁধে দেওয়া হয়েছে বেশকিছু শর্তাবলী। যেমন সর্বোচ্চ ৩০০ জন লোক নিয়ে এই কর্মসূচি করতে হবে, কোনও ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না, শুধু তাই নয় ধর্নাস্থল থেকে কোনও বিদ্বেষমূলক মন্তব্যও করা যাবে না।

প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্না করতে চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু। যেখানে প্রথমেই রাজ্যের তরফে আপত্তি জানানোর হয়েছিল। রাজ্যের দাবি রাজভবন চত্বরে ১৪৪ ধার জারি থাকায় ওই জায়গায় কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করা যাবে না।
এ প্রসঙ্গে পাল্টা যুক্তি দেখানো হয় শুভেন্দু অধিকারীর তরফে। অভিযোগ তোলা হয় রাজ্যের শাসক দলের ১০০ দিনের কাজের টাকার দাবিতে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসা নিয়ে। তখন আদালতের তরফে বলা হয় শাসক দল ধর্নায় বসলে যে তাদেরও ওখানেই ধর্নায় বসতে হবে তার কোনো মানে নেই।
রাজভবনের সামনে শুভেন্দুদের ধর্নায় বসার অনুমতি দিল আদালত, আপত্তি নেই রাজ্যের

আদালতের তরফে শুভেন্দুদের দেখতে বলা হয় বিকল্প কোনো জায়গা। এ প্রশ্নের শুভেন্দু অধিকারীদের তরফে ধর্নার জন্য বেছে নেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের ডিজির দফতর। পরে অবশ্য আদালত জানিয়ে দেয় রাজভবনের সামনেই কর্মসূচি পালন করতে পারবেন বিরোধী দলনেতা। সেই সঙ্গে রাজ্যকেও কর্মসূচির দিনক্ষণ ঠিক করে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে রাজ্যের তরফে আগামী রবিবার রাজভবনের সামনে ওই কর্মসূচির আয়োজন করতে বলা হলে রাজি হননি বিরোধী দলনেতা। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর আইনজীবী আদালতে জানান, আগামী রবিবার রথযাত্রা থাকায় ওই দিন ধর্না কর্মসূচি করা যাবে না। এরপর বুধবারই চূড়ান্ত দিন জানানো হয় রাজ্যের তরফে। ১৪ জুলাইয়ের কথা আদালতকে জানায় রাজ্যের আইনজীবী। সবশেষে ওই দিনই ধর্নায় বসার অনুমতি দেওয়া হয় শুভেন্দু অধিকারীদের।



