নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভ্যাকসিন কবে পাবেন দেশবাসী? করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে সুখবর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। আজ রাজ্যসভায় বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে তিনি ইঙ্গিত দেন ২০২১ সালের শুরুতেই হাতে চলে আসবে মারন করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন। এদিন রাজ্যসভায় তাঁর ভাষন চলাকালীন অনেকেই ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তখন সেই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ চিনকে চ্যালেঞ্জ ভারতের। বিক্রমাদিত্য কে নিয়ে নৌমহড়া ট্রপেক্স -এর প্রস্তুতি।


আজ রাজ্যসভায় তিনি বলেন, ভারতে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার আগে থেকেই ব্যাবস্থা নিয়েছিল সরকার। দেশে প্রথম করোনা সংক্রামিতের খোজ পাওয়া যায় ২০ জানুয়ারি। কিন্তু তাঁর আগে ৮ জানুয়ারি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে ১৭ জানুয়ারি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি জানান প্রথম করোনা আক্রন্তের সংস্পর্শ্বে আসা ১৬২ জন কেই চিহ্নিত করা হয়েছিল।
পরে পরীক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করা হয়েছে দেশ জুড়ে। কোন রাজ্যের সাথেই পক্ষপাতিত্ব করা হয় নি। পরিক্ষার নিরিখে আমেরিকার পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আমাদের দেশ। হর্ষ বর্ধন জানান বিশ্বের মধ্যে সবথেকে মৃত্যুহার কম আমাদের দেশেই। মাত্র ১.৬৪ শতাংশ। এই হার কে ১ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে সচেষ্ট রয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি তিনি জানান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে থাকা ৬৪ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক কে নিজের নিজের রাজ্যে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভ্যাকসিন কবে পাবেন দেশবাসী? স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভ্যাকসিন নিয়ে জানান। আগামী বছরের শুরুতেই হাতে চলে আসবে ভ্যাকসিন, তবে প্রথমেই তা সবাই কে দেওয়া সম্ভব হবে না। তিনি জানান এই মুহূর্তে প্রায় ৪০ হাজার নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সাথে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং একাধিক ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী দেশের সাথেও সম্পর্ক রাখা হচ্ছে। উল্লেখ্য চলতি সপ্তাহেই একটি অনলাইন পোর্টাল কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েদেন ২০২১ সালের শুরুতেই সাধারন মানুষ কে দেওয়ার জন্যে ভ্যাকসিন প্রস্তুত হয়ে যাবে। খবরের ওয়েবসাইট সানডে সংবাদ কে দেওয়া এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে একথা জানান তিনি


হর্ষ বর্ধন বলেন, যখন ভ্যাকসিন ছাড়পত্র পেয়ে যাবে তখন ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মী, প্রবীণ নাগরিক এবং কো মর্বিডিটি আছে এমন মানুষকে প্রথমেই আনা হবে ভ্যাকসিনের আওতায়। এছাড়াও যাদের জন্যে ভ্যাকসিন প্রথমেই প্রয়োজন তাঁদেরকেও আনা হবে ভ্যাকসিনের আওতায়। তিনি বলেন, “ভ্যাকসিনের সুরক্ষা, খরচ, উৎপাদন এবং যোগান নিয়ে জোর কদমে আলচনা চলছে।” পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েদেন মানুষের আস্থা অর্জনে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ তাঁকে নিতে হলে তিনি তা স্বচ্ছন্দেই গ্রহণ করবেন।







