উহানের সরকারি ল্যাবেই তৈরি করোনা। প্রমাণ আছে বললেন চীনা ভাইরোলজিস্ট।

উহানের সরকারি ল্যাবেই তৈরি করোনা। প্রমাণ আছে বললেন চীনা ভাইরোলজিস্ট।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ উহানের সরকারি ল্যাবেই তৈরি করোনা। প্রমাণ আছে বললেন চীনা ভাইরোলজিস্ট। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম খোঁজ পাওয়া যায় মারন ভাইরাস করোনার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল উহানের ল্যাব থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। বরাবরই এই দাবি অস্বীকার করে এসেছে চীন। পাত্তা দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। কিন্তু এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিতে সিলমোহর দিলেন উহানের ল্যাবের এক ভাইরোলজিস্ট। তাঁর নাম লি মেং ইয়ান।

আরও পড়ুনঃ মহানগরীতে ফের শুরু হল মেট্রো পরিষেবা,এখন কিভাবে যাত্রা করবেন জানেন?

ব্রিটিশ চ্যানেলের একটি টক শো তে হাজির হয়ে লি মেং ইয়ান বলেন, চীনের ল্যাবেই তৈরি করা হয়েছে করোনাভাইরাস। আর এটি তৈরি হয়েছে চিন সরকারের দেওয়া টাকাতেই। এটি মানুষের তৈরি বলে তার কাছে ১০০ শতাংশ প্রমাণ রয়েছে। এমনকি তিনি তা প্রকাশ করবেন বলেও জানিয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হংকংয়ে জন্ম নেওয়া ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান করোনার ভয়াবহতায় ভয় পেয়ে বিশ্ব কে সতর্ক করতে বলেছিল চিন সরকার কে। কিন্তু চিন সেই দাবি না মেনে তাঁকে হত্যা করতে চায় বলে অভিযোগ, তিনি তারপর পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রাণ বাঁচাতেই যুক্তরাষ্ট্র পালান তিনি বলে তাঁর দাবি।

উহানের সরকারি ল্যাবেই তৈরি করোনা। লি মেং ইয়ান বলেন, আমি বিশ্বের মানুষকে জানিয়ে দেব কেন চীনের ল্যাবে এই ভাইরাস তৈরি হয়েছে এবং কেন তারা এটি তৈরি করেছে। জীববিজ্ঞানের জ্ঞান না থাকলেও যে কেউ তা পড়তে পারবে এবং নিজেই তা যাচাই করতে পারবে কিভাবে তৈরি হয়েছিল এই ভাইরাস।

তাঁর কথায়, চীনের পূর্বাঞ্চলে গত বছরের শেষ দিকে নিউমোনিয়ার মতো এই রোগ প্রথমদিকে গবেষণাকারীদের একজন ছিলেন তিনি। কিন্তু যখন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে তখন তাঁকে এবং পুরো দলকে সতর্ক করে দেওয়া হয় এবং নীরব থাকতে বলা হয়। তাঁর দাবি, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার কথা অনেক আগে জানতে পেরেও রোগটির বিষয়ে সঠিক তথ্য গোপন রাখা হয়।

ইয়ান বলেন, চীন দাবি করেছে, উহানের স্থানীয় একটি বাজার থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু এটা ভুল তথ্য, উহানের সি ফুড মার্কেট থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হয়নি। এই ভাইরাস চীনের ল্যাবেই তৈরি করা হয়েছে। এই ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স মানুষের আঙুলের মুদ্রণের মতো। যা প্রমাণ করে এটি মানবসৃষ্ট ভাইরাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x