নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন সংক্রমণকে টেক্কা দিচ্ছে সুস্থতার হার। ভারতের করোনা পরিস্থিতি শামুখের গতিতে হলেও কিছুটা ভালোর দিকে হাঁটছে। দেশের সাথে তাল মিলিয়েছে বাংলাও। পুজো আবহে ভয় ছিল সংক্রমনের গতি ব্যাপক ভাবে বেড়ে যাওয়ার। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বরং পুজোর পর থেকে ক্রমেই কমছে চিকিৎসাধীন আক্রান্তের সংখ্যা। তবে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি খুব খারাপের দিকে না গেলেও ভালর দিকেও যায়নি। আক্রান্তের সংখ্যা কমার লক্ষন নেই। তবে বাড়ছে সুস্থতার হার।
আরও পড়ুনঃ শ্মশানে পাঠাবেন! মাথা, পাঁজর ভেঙে দেবেন! মাত্রাছাড়া হুমকি দিলীপ ঘোষের।


করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে রাজ্যের সব জেলাতেই। পুরুলিয়া ঝাড়গ্রামে প্রথম দিকে সংক্রমণের গতি কম থাকলেও পরবর্তীকালে ভালই বেড়েছে সংক্রমণের গতি। আজও লাগামহীন সংক্রমন ঘটেছে কলকাতায়। আজ কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮১৩, মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনায় সংক্রমণ বেড়েছে একই ভাবে। আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২০ জন।
নতুন সংক্রমণকে টেক্কা দিচ্ছে সুস্থতার হার। আজকের ৩ হাজার ৯২০ জন কে নিয়ে রাজ্যের মোট আক্রান্ত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৫ হাজার ৩১৪ জন। এই বিপুল আক্রান্তের মধ্যে এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৬৬ জন। যা গতকালের থেকে এক ধাক্কায় ৫২২ জন কমেছে। এটি সাম্প্রতিককালের রেকর্ড। একদিকে সংক্রমণের গতি কিছুটা কমলেও অন্যদিকে দীর্ঘ্যতর হচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা। যদিও মৃত্যু সংখার হার শেষ কয়েকদিনে কিছুটা কমেছে রাজ্যে।
প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ জন মানুষ মারা যাচ্ছেন রাজ্যে। সবথেকে বেশি মৃত্যু হচ্ছে যারা কোমর্বিডিটিতে ভুগছেন তাঁদের। এখন পর্যন্ত রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ২৯৪ জনের। মৃত ৭ হাজার ২৯৪ জনের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ হাজার ৩৮৩ জন।


আজকের ৪ হাজার ৩৮৩ জন কে নিয়ে এখন পর্যন্ত রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৫৪ জন। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের টেস্ট হয়েছে মোট ৪৫ হাজার ১৮৭ টি। এখন পর্যন্ত রাজ্যে মোট টেস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৪১ টি।রাজ্যে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু টেস্ট হয়েছে ৫৪ হাজার ৬০৮ জনের। প্রতি ১০০ টি স্যাম্পেল টেস্ট পিছু রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৮.২৫ শতাংশ। রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৯.৬৭ শতাংশ। দেখুন পরিসংখ্যান।









