নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২ মাস ধৈর্য্য ধরুন। করোনার টিকা প্রসঙ্গে আবেদন সিরাম কর্তার। ভারতে শুরু হয়েছে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। বিনামূল্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন পাবেন ভারতবাসী। ভারতে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। এই ভ্যাকসিনটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কোভিশিল্ড’। অক্সোফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। ফলাফল জানা যাবে ১৫ দিন পর। তারপরেই শুরু হবে তৃতীয় তথা চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল। পুণের ভারতী বিদ্যাপীঠ মেডিক্যাল কলেজে কোভিশিল্ডের ট্রায়ালের কাজ শুরু হয়েছে। ০.৫ মিলিমিটার টিকার ডোজ দেওয়া হচ্ছে সেচ্ছাসেবক দের। মানব দেহের পেশিতে টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়া চলছে।
আরও পড়ুনঃ সুশান্ত কাণ্ডে আরও বিপাকে রিয়া, এবার FIR করলো এনসিবি।


২ মাস ধৈর্য্য ধরুন। করোনার টিকা প্রসঙ্গে আবেদন সিরাম কর্তার। আজ সিরাম ইন্সটিউটের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যতের জন্যে টিকা মজুত করার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল হলে কেন্দ্র ছাড়পত্র দেবে, তাঁর পরেই শুরু হবে বানিজ্যিক উৎপাদন। পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্তা আদর পুনাওয়ালা আবেদন করেছেন, অন্তত দুমাস চুপচাপ থাকতে। সংস্থার তরফে সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য দেওয়া হবে। তার আগে দয়া করে ট্রায়াল নিয়ে কেউ কোনও খবর পরিবেশন করবেন না।
অন্যদিকে সূত্র জানাচ্ছে, প্রতিষেধক আবিষ্কার হলে তা যাতে দ্রুত এবং সুলভে দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করছে কেন্দ্রিয় সরকার। ওই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিশন কোভিড সুরক্ষা’। এই প্রকল্পে তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, কোভিশিল্ড টিকার দাম পড়বে ২২৫ টাকা।সিরামের এক কর্তা জানিয়েছেন আগামী জুনের মধ্যেই তারা দেশে ৬৮ কোটি ভ্যাকসিন তৈরির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছেন। আর এই ভ্যাকসিন যেহেতু ভারত সরকার কিনে নিয়েছে তাই দেশে বিনামুল্যে তা দেশবাসীকে বিতরণ করা হবে।
উল্লেখ্য করোনা ভ্যাক্সিন নিয়ে কয়েকদিন আগেই সুখবর দিয়েছে অক্সফোর্ড। ‘দ্য ল্যানসেট’ মেডিক্যাল জার্নাল জানিয়েছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি ভ্যাকসিন ChAdOx1 মানবশরীরের পক্ষে নিরাপদ এবং করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম। দাবি করা হয়েছে এই ভ্যাক্সিনের প্রথম ডোজেই ৯০ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরী হয়েছে। ল্যানসেট জার্নাল জানিয়েছে, ১০৭৭ জন স্বেচ্ছাসেবককে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। প্রায় প্রত্যেকের শরীরেই T-Cell সক্রিয় হয়েছে এবং পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের রিপোর্ট দেখে ইতিমধ্যেই দশ কোটি ভ্যাকসিনের অর্ডার দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।


অক্সফোর্ডের এই ভ্যাক্সিনের দিকে তাকিয়ে ছিল সারা পৃথিবী। ‘দ্য ল্যানসেট’ মেডিক্যাল জার্নাল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি ভ্যাকসিন ChAdOx1 মানবশরীরের পক্ষে নিরাপদ এবং করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম বলে জানানোর পর কিছুটা হলেও ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়েছে বিশ্ববাসীর। তবে এখনই টিকা সফল সেই দাবি করা হয়নি। এখনও চালানো হবে বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল ভাবে কাজ করেছে টিকা। নিরাপদ ভাবে মানব দেহে তৈরি হয়েছে অ্যান্টি বডি।







