নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা তৃতীয় ঢেউ সারা দেশে সুনামির আকার নিয়েছে। এদিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যে সারা দেশে সক্রিয় আক্রান্ত বৃদ্ধি পেয়েছে ১,১৮,৪৪২। রাজ্যের হিসেবে আক্রান্তের নিরিখে সবার আগে রয়েছে মহারাষ্ট্র। আর শহরের নিরিখে সবার আগে রয়েছে কলকাতা । আক্রান্তের নিরিখে সারা দেশে দ্বিতীয় বাংলা।


শনিবার দেওয়া স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬২০৫৫ জন। ২৪ ঘন্টায় সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০৬৭১। পজিটিভিটি রেট ২৯.৬০%।দেশের বড় শহরগুলির মধ্যে কলকাতাতেই সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। জেলা হিসেবে অবশ্য লাহুল স্ফীতি সবার আগে। সেখানে সক্রিয় আক্রান্ত ৬১.১১%।
কলকাতায় সক্রিয়তার হার ৫৭.৯৮%। জেলাগুলির মধ্যে এরপরেই রয়েছে হাওড়া, সেখানে সক্রিয়তার হার ৪৬.৪৪%। দেশের অন্ন শহর গুলির মধ্যে কলকাতার অবস্থা যে সত্যি খারাপ তাঁর প্রমান মিলছে বিভিন্ন হাসপাতাল গুলিতে ডাক্তার, নার্স থেকে স্বাস্থ্যকর্মীর আক্রান্তের হার। এই মুহূর্তে SSKM হাসপাতালে রোজ গড়ে ২ হাজার ৬০০টি করে টেস্ট হওয়ার কথা থাকে।
কিন্তু গত তিনদিন ধরেই দেখা গিয়েছে সমস্যা। এমনকী যাঁরা ৫দিন আগে টেস্ট করিয়েছেন, তাঁরাও এখন রিপোর্ট হাতে পাননি। কারণ মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান রাজা রায় নিজেও করোনা পজিটিভ। তাঁর পাশাপাশি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত আরও পাঁচজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট। সংক্রমিত ল্যাব টেকনিশিয়ানরাও।


করোনা জালে বন্দী কলকাতা, দেশের মধ্যে ১ নং মহানগরী, আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় বাংলা!
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্যান্য মাইক্রোবায়োলজিস্ট কিংবা যাঁরা স্নাতকোত্তরের পড়াশোনা করছেন, তাঁদের কাজে লাগানো হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হল, তাঁদেরও প্রতি মুহূর্তে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অশনি সংকেত দেখছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।







