নজরবন্দি ব্যুরো: শুক্রবার রাতে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। শালিমার-চেন্নাই এক্সপ্রেসের দুই কামরা ও পরে মালগাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় হাওড়া থেকে চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেসের। গতকাল রাত থেকেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকার্য। ওড়িশা সরকার ব্যবস্থা করছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন। এছাড়াও উদ্ধারকার্য কতটা এগিয়েছে তা জানতে শনিবার বালেশ্বর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আরও পড়ুন: Coromondel express-এ দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মমতা! সকালেই হেলিকপ্টারে পৌঁছাবেন বালেশ্বর


গতকাল দুর্ঘটনার খবর পেয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ধারকার্যে সমস্তরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। সূত্রে খবর, আজ সকালেই দুর্ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন মোদী। প্রথমে বালেশ্বর যাবেন। সেখানে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন এবং উদ্ধারকাজ খতিয়ে দেখা হবে। এরপর চলে যাবেন কটক হাসপাতালে। দুর্ঘটনায় আহত বহু রেলযাত্রী ভর্তি রয়েছেন ওই হাসপাতালে। তাঁদের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার রাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গতকালই ওড়িশায় প্রতিনিধি দল হিসেবে বালেশ্বর পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন ও রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। রাজ্যের তরফে দ্রুত সাহায্যের ব্যবস্থাও করা হয়। চিকিৎসায় যাতে কোনও কমতি না হয় সেকথা মাথায় রেখে চিকিৎসকদের একটি দল পাঠিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শনিবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী নিজেও দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ১০ টায় হাওড়ার ডুমুরজোলা হেলিপ্যাড থেকে রওনা হবেন তিনি।



শুক্রবার শালিমার-চেন্নাই এক্সপ্রেসের দুটি কামরা লাইনচ্যূত হয়। সেই কামরাতেই ধাক্কা মারে চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। এরপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালগাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। কামরাগুলি কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে যায়। করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ২০টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৩৮ এবং আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৯০০। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। সকাল থেকেই দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বালেশ্বর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দুর্ঘটনায় মৃত কমপক্ষে ২৪০, আহত ৬০০-র বেশি









