নজবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার টানা ১০ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় দ্বিতীয় দিন ইডির জেরার মুখোমুখি রাহুল গান্ধী। এদিন ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার আগে কংগ্রেস মহাসচিব প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার সঙ্গে ২৪ নম্বর আকবর রোডের দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হন তিনি। সঙ্গে ছিলেন কে সি ভেনুগোপাল।
আরও পড়ুনঃ Sharad Pawar: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন পাওয়ার, জল্পনা তুঙ্গে
গতকালের পর আজ কোনও বিশৃঙ্খলা যাতে না ঘটে সেজন্য সকাল থেকেই ১৪৪ ধারা জারি রাখা হয়েছিল। কংগ্রেস সদর দফতরের বাইরে পুলিশ এবং মিলিটারি বিপুল সংখ্যায় মোতায়েন করা হয়েছে। তবুও সেই নির্দেশকে উপেক্ষা করেই ফের বিক্ষোভে নামে কংগ্রেস সমর্থকরা। পুলিশের সঙ্গে ধরপাকড় শুরু হয়। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা সহ একাধিক জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এই ঘটনাকে কটাক্ষ করতে পিছপা হননি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোট। তিনি বলেন, সরকারের তরপফে দিল্লি পুলিশের ওপর যে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, তা ধারণার বাইরে। আমরা জানি ১৪৪ ধারা করতে হলে কি করতে হয়। কিন্তু কংগ্রেস সদর দফতরে যেতে বাধা দেওয়া হবে কেন? দেশের পরিস্থিতি ভীষণ গম্ভীর। কংগ্রেস নেতৃত্বদের দাবি, তাঁরা আলাদা আলাদা ভাবেই কংগ্রেস সদর দফতরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁদের তবুও আটকে দেওয়া হচ্ছিল।
গতকাল ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে টানা ১০ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। সূত্রের খবর, গতকাল ২৫ টি কড়া প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে রাহুল গান্ধীকে। কিন্তু ইডি রাহুল গান্ধীর উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণে ফের মঙ্গলবার তলব করা হয়েছে।
দ্বিতীয় দিন ইডির জেরার মুখোমুখি রাহুল গান্ধী, হুলুস্থুল দিল্লি

কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা জানিয়েছেন, ভারতে চিনা সেনার অনুপ্রবেশ, মুদ্রাস্ফীতি, পরিযায়ী শ্রমিকদের অবস্থা এবং কৃষক আন্দোলন নিয়ে বারবার সরব হচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী। তাই মুখ বন্ধ করতে চাইছে কেন্দ্র সরকার। প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বিজেপি।



