নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী অবধি শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়। কিন্তু মেধাতালিকাভুক্ত প্রার্থীদের নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ তুলে ২০১৯ সালে ২৯ দিনের দীর্ঘ অনশন চালান চাকরী প্রার্থীরা।এরই মধ্যে ফের অস্বস্তিতে পড়ল স্কুল সার্ভিস কমিশন। বেশ কিছু প্রার্থীকে বেআইনি ভাবে বিভিন্ন স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর পদে নিয়োগের অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় ডাক বিভাগকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার সেখানেও দেখা দিল নয়া বিপত্তি।
আরও পড়ুনঃ আগামী ২৪ ঘন্টায় নামছে পারদ, কি বলছেন হাওয়া অফিস?
এই নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে আবেদনকারীদের তরফ থেকে জানানো হয়, যে বিতর্কিত ভাবে এই পদে নিযুক্ত যে ২৫ জনের কথা বলা হয়েছিল আদালতের তরফ থেকে তাদের মধ্যে প্রায় ১১ জনের ঠিকানাকে ঘিরে দেখা দিয়েছে জটিলতা। পাশাপাশি আদালতের নোটিশ অস্বীকার করতে ও দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকজন কে।
তবে এসএসসি বা স্কুল সার্ভিস কমিশনের মামলায় একাধিকবার দেখা দিয়েছে জটিলতা। বেতন বাতিলের নির্দেশ ও শিক্ষক ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি এই মামলায় মূল অভিযোগ উঠে আসে যে গত ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে চতুর্থ শ্রেণিতে কর্মী নিয়োগ প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও সেই তালিকা থেকেই বেআইনি ভাবে নিয়োগ করা হয়েছে একাধিক প্রার্থী কে।
যা নিয়ে নেতিবাচক সুর শোনা যায়, স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফ থেকে। তাদের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় কোন পরিস্থিতিতেই নাকি তাদের সুপারিস করেনি এসএসসি কতৃপক্ষ। যা মানতে নারাজ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সেদিন মহামান্য আদালতে নিজেদের হলফনামা পেশ করে পর্ষদের তরফ থেকে জানানো হয়, মূলত এসএসসির সুপারিশের ভিত্তিতেই নাকি প্রার্থীদের কে নিয়োগ পত্র দিয়েছিল তাঁরা।
এসএসসি কে ঘিরে নয়া জটিলতা, ডাক বিভাগে জটিলতা

সেইমত গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রায় ২৫ জনকে নিয়ম ভেঙে নিয়োগের কথা সামনে আসে। তাদের মধ্যে ১১ জনকে চিঠি পাঠানো সম্ভব হলেও বাকিদের ঠিকানা ঘিরে দেখা দেয় জটিলতা। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। আগামী ১৭ই ডিসেম্বর আই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে।



