নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিলীপকে আক্রমনের ঘটনার রিপোর্ট তলব কমিশনের, ইতিমধ্যেই গ্রেফতার একগুচ্ছ অভিযুক্ত। গতকাল বুধবার কোচবিহারের শীতলকুচি পঞ্চায়েত সমিতির মাঠে সভা ছিল রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের। অভিযোগ সেই সভা সেরে ফেরার পথে আক্রান্ত হন তিনি। প্রথমেই দিলীপের কনভয় লক্ষ্য করে ছোড়া হতে থাকে এলোপাথাড়ি ইট-পাথর। বিজেপির অভিযোগ কনভয় লক্ষ্য করে চলতে থাকে বোমাবৃষ্টিও।
আরও পড়ুনঃ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা
এছারা দিলীপ বাবুর গাড়ি বাদ দিয়ে বাকি গাড়িগুলি ভাঙচুর করা হয়। তবে পরে দেখা যায় বিজেপি সভাপতির গাড়িও ভেঙেছে। আঘাত পান স্বয়ং দিলীপবাবু। স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এই আক্রমণের জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছিলেন দিলীপ। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে রাজ্যের শাসকদল। এবং এখনও পর্যন্ত শাসকদলের পক্ষ থেকে এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে এই আক্রমনের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে কমিশন।
ইতিমধ্যেই তারা এই ব্যাপারে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। অন্যদিকে এই ঘটনার পর শীতলকুচি বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর তল্লাশি চালায় পুলিশ। ইতিমধ্যেই ১৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে তারা। এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিভিন্ন থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বিজেপি-র দাবি, শুধু এই ১৬ জন নন, আরও অনেকে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তাঁদেরও গ্রেফতার করতে হবে। এদিকে বৃহস্পতিবার কোচবিহার শহরে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।
দিলীপকে আক্রমনের ঘটনার রিপোর্ট তলব কমিশনের, ইতিমধ্যেই গ্রেফতার একগুচ্ছ অভিযুক্ত। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ”তৃণমূল ভয় দেখিয়ে, হিংসার মাধ্যমে নির্বাচনে জেতার চেষ্টা চালাচ্ছে। কাল আমি অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছি। মেডিক্যাল পরীক্ষাও করিয়েছি। কাল আমাদের কনভয়ের গাড়িতে ওরা বোমা মেরেছে। কিন্তু আমরা থেমে থাকব না।” নিজের টুইটারেও এই ঘটনায় একের পর এক বক্তব্যে শাসকদলকে বিঁধেছেন দিলীপবাবু।



