নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাগুইআটির জোড়া খুনের ঘটনায় ক্রমাগত চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। এরই মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাগুইআটি থানার ওসি কল্লোল ঘোষকে ক্লোজ করা হয়েছে। একইসঙ্গে খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী গোটা ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন, এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
আরও পড়ুনঃ Ranbir-Alia: গোমাংস খান রণবীর, তাই সস্ত্রীক মহাকাল মন্দিরে ধুকতে বাধা তারকা দম্পতির
রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত দুঃখপ্রকাশ করেছেন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে। পরিবারের পাশে আমরা আছি। এর তদন্তভার সিআইডি-র হাতে দেওয়া হল। যদিও পরিবারের তরফে বারবার দাবি করা হচ্ছে, পুলিশ শুরু থেকে অসহযোগিতা করেছেন, এখন সিবিআই তদন্তের দাবি তুলছেন তাঁরা।

বাগুইআটির হিন্দু বিদ্যাপীঠের দশম শ্রেণির ছাত্র অতনু এবং অভিষেক। সূত্রের খবর, ২২ অগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিল দুই ছাত্র। ২৩ অগস্ট থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করে পরিবার। এরপর মুক্তিপণ চেয়ে বারবার বারবার এসএমএস করা হয় পরিবারগুলিকে। কিন্তু অভিযোগ জানানোর পরেও পুলিশের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর বসিরহাট হাসপাতালের মর্গ থেকে দুই ছাত্রের দেহ নিয়ে আসে পুলিশ।
মৃত অতনুর পরিবারের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অনলাইন গেমের প্রতি আসক্তি ছিল দুই জনের। গেম খেলেই টাকার আয় করত ওই দুই যুবক। যা থেকে বাইক কেনার জন্য সত্যেন্দ্রকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিল দশম শ্রেণির পড়ুয়া অতনু। অভিযোগ, ঘটনার দিনেই বাইক কেনার জন্য অতনুকে ডেকেছিল সত্যেন্দ্র। সঙ্গে ছিল অভিষেকও।
ওসি কল্লোল ঘোষকে ক্লোজ করা হয়েছে, বিরাট পদক্ষেপ রাজ্যের

বিধাননগর পুলিশের তরফে দাবি করা হচ্ছে ওই দিনেই খুন করা হয়েছে দুই জনকে। এরপর তাঁদের দেহ বসিরহাটে ফেলে দিয়ে আসা হয়েছিল। সেই ঘটনায় বুধবার সকাল থেকে বাগুইআটি থানার সামনে ধর্না দেখাচ্ছে বাম ও বিজেপি। আর কিছু সময়ের মধ্যেই উপস্থিত হবেন বিরোধী দলনেতা।



