নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পাননি? মুশকিল আসান করতে হাজির স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখি বিভিন্ন প্রকল্প ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। যার অন্যতম হল স্বাস্থসাথী প্রকল্প। যে প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত মানুষকে এই হেলথ স্কিমের আওতায় আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ৫ লাখ টাকা অব্দি সাহায্য দেওয়া এই কার্ড।
আরও পড়ুনঃ আজও অমীমাংসিত জোট রফা। ফের বাম- কংগ্রেস বৈঠকে বসছে ২৮সে
কিন্তু সামনে আসন্ন বিধানসভা ভোট। নির্বাচনী আচরনবিধি লাগু হয়ে গেলে আর কার্ড বিলি করা সম্ভব হবে না। তবে কি যারা পাননি তারা কি আর কার্ড পাবেন না। আজ পুরশুড়ার সভা থেকে সমস্যার সমাধান বাতলে দিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। যারা কার্ড পাননি তাদের জন্য আপাতত অস্থায়ী কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে বলে ঘোষণা করেন তিনি। স্বাস্থ্যসাথী ও দুয়ারে সরকার কর্মসূচী নিয়ে ভোটের আগে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে রাজ্য সরকার। বহু মানুষের কাছে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে এই কার্ড। তবে অভিযোগ রয়েছে এখানেও।
ফর্ম পূরণ করেও অনেকেই পাননি এই কার্ড ফলে রয়ে গিয়েছে অসন্তুষ্টি। তাদের জন্যই মুখ্যমন্ত্রীর এই অস্থায়ী কার্ডের নয়া ঘোষণা। তিনি জানান, ‘যান্ত্রিক সমস্যার জন্য অনেকেই ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির মাধ্যমে এখনও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের স্মার্ট কার্ড হাতে পাননি। ভোটের আগে তাঁদের হাতে কার্ড পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কেউ না পেলে তাঁদের হাতে অস্থায়ী স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। সেই কার্ড দেখিয়েই তাঁরা চিকিৎসা করাতে পারবেন।’ কেও চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হবেন না বলেই আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতা থেকে রাজ্যের সমস্ত প্রান্তেই অভিযোগ উঠছে স্বাস্থসাথী কার্ড নিয়ে গেলেও ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না বিভিন্ন হাসপাতালে।
স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পাননি? মুশকিল আসান করতে হাজির স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। এই অভিযোগ কানে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। ফের সভামঞ্চ থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে সতর্ক করলেন তিনি। ভর্তি না পেলে কার্ডের পেছনে লেখা নাম্বার অথবা পুলিশে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দরকারে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দেন। ভোটের আগে শাসক দলের জন্য এই প্রকল্প তুরুপের তাস হতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



