নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথায় আছে ‘ভাগবান জাব কিসিকো দেতা হ্যায় তো চ্ছাপ্পাড় ফারকে দেতা হ্যায়’, একেই বলে ভাগ্য! উলটো রথের দিনই ভাগ্যের চাকা উলটো দিকে ঘুরে কপাল খুলে গেল সুরজিতের। রাতারাতি কোটিপতি হলেন তিনি। পশ্চিম মেদিনীপুর (West Medinipur) জেলার পিংলার গোবর্ধনপুর এলাকার বাসিন্দা ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের (Civic Volunteer) নাম সুরজিৎ মান্না। তিনি পিংলা থানায় (Pingla P.S) কর্মরত।
আরও পড়ুনঃ পাহাড়কে আর অশান্ত হতে দেবেন না, মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ
উলটো রথের দিন, গত শনিবারই তাঁর লটারিতে প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা ওঠে। যা শুনে হতবাক হয়ে গিয়েছেন ওই সিভিক ভলান্টিয়ার ও তাঁর পরিবার সহ এলাকার বাসিন্দারা। এভাবে লটারির টিকিট কেটে যে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাবেন তা কল্পনা করেননি বলে জানিয়েছেন সুরজিৎ।

সিভিকের চাকরি থেকে যে বেতন সুরজিৎ পান, তা দিয়েই কোনওরকে তাঁদের দিন গুজরান হয়। দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেতে মাঝে-মধ্যে ভাগ্য পরীক্ষা করতেন সুরজিৎ। লটারির টিকিট কাটতেন। যদি কপালে কখনও শিকেয় ছেঁড়ে! তবে সত্যি-সত্যিই যে লটারির টিকিট দিয়ে তাঁর কপাল খুলবে তা ভাবতে পারেননি সুরজিৎ। ফলে লটারির টিকিটে কোটি টাকা পুরস্কার ওঠার খবরে হতবাক হয়ে গিয়েছেন সুরজিৎ।
জানা গিয়েছে, গত শনিবার উলটো রথের দিন খড়গপুর টাউন এলাকায় ডিউটিরত ছিলেন পিংলা থানার (Pingla P.S) সিভিক ভলান্টিয়ার সুরজিৎ মান্না। ডিউটির মাঝেই স্থানীয় দোকান থেকে লটারির টিকিট কেটেছিলেন৷ ভাগ্য পরীক্ষা করতে ঝোঁকের বশে লটারির টিকিট কাটেন তিনি। একেবারে যে প্রথম পুরস্কার জিতবেন তা কল্পনা করেননি সুরজিৎ।
শনিবার রাতেই লটারিতে প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা তাঁর কপালে ওঠার কথা জানতে পারেন সুরজিৎ। খবরটা শুনেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান এই সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁর রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার খবর চাউর হয়ে যায় গোটা গ্রামেও। যা নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যেও হইচই পড়ে যায়। কৃষিজীবী দরিদ্র পরিবারের সন্তান সুরজিতের লটারি লাগায় খুশি প্রতিবেশীরাও।
উলটো রথেই ভাগ্যের চাকা ঘুরলো উলটো দিকে, লটারি কেটে কোটিপতি সিভিক ভলান্টিয়ার

লটারির টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি বা ধনী হয়ে যাওয়ার ঘটনা অবশ্য এটাই প্রথম নয়। বিশেষত পূর্ব মেদিনীপুরে (East Medinipur) লটারি খেলার প্রচলন খুবই বেশি। ফলে লটারি কেটে রাতারাতি ধনী হয়ে যাওয়ার ঘটনাও এই জেলায় যথেষ্ট দেখা যায়। তবে পশ্চিম মেদিনীপুর (West Medinipur) জেলাতও যে লটারির ব্যবসা ইদানিংকালে ভালো জমে উঠেছে, তা সুরজিতের কোটিপতির হওয়ার ঘটনাতেই স্পষ্ট।



