Bipin Rawat Chopper Crash: রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি, এখন সতপালের অপেক্ষায় দার্জিলিং

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি, দার্জিলিংঃ কপ্টারে ওঠার আগে কথা বলেছিলেন স্ত্রী-মেয়ের সঙ্গে। বলেছিলেন রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি।  ১০ মিনিটের ব্যবধানে ঘটে গেল বিপত্তি। সন্ধের মুখে খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকাহত পরিবার। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ভিড় জমিয়েছেন পাহাড়বাসী।  

আরও পড়ুনঃ Farmers Protest: ১৫ মাস পর শেষ হল কৃষক আন্দোলন, শনিবার বাড়ি ফিরবেন কৃষকরা

গতকাল তামিলনাড়ুর কুন্নুরে কপ্টার ভেঙে প্রতিরক্ষা প্রধান বিপিন রাওয়াতের সাথে মৃত্যু হয় দার্জিলিং এর সেনানায়কের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী বিশ্বস্ত সঙ্গী তাকদার বাসিন্দা সতপাল রাইয়ের। গতকাল সকালে কপ্টারে ওঠার আগেই ভিডিও কলে তার স্ত্রী মেয়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। জানান, তিনি রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছেন। অথচ কে জানতো এই কথাই তার সাথে পরিবারের শেষ কথা। কাল সন্ধ্যায় খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ভিড় জমিয়েছেন পাহাড়বাসী।

বাড়ির বাইরের ছোট্ট রাস্তায় সার সার চেয়ারে অনেকে উদ্বিগ্ন মুখে বসে রয়েছেন। অনেকে পায়চারি করছেন। শেষবার দেখার জন্য অপেক্ষায় গোটা শৈলশহর। বাড়ির ভেতরে শোকে পাথর সতপালের পরিবার পরিজন। বাবার দেহ আনতে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন ছেলে।

Bipin Rawat Chopper Crash: রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি, এখন সতপালের অপেক্ষায় দার্জিলিং
Bipin Rawat Chopper Crash: রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি, এখন সতপালের অপেক্ষায় দার্জিলিং

 

বিপিন রাওয়াত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দার্জিলিং পাহাড়ের ৪১ বছর বয়সী সতপাল গ্লেনবার্ন চা বাগানের বাসিন্দা ছিলেন। পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী, মেয়ে,মা, বাবা ও এক ছেলে। ছেলেও সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ছেলের সঙ্গে দিল্লিতেই থাকতেন। গতকাল সকালে কপ্টারে ওঠার আগেই ভিডিও কলে তার স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন সতপাল। জানান, তিনি রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছেন।

ভীড়ের মধ্যে দেখা হলো সতপাল রাইয়ের স্থানীয় স্কুলের শিক্ষক পুলক মোক্তনের সঙ্গে। তিনি জানান সৎপাল স্কুলের সব ক্লাসেই প্রথম হতো। পড়াশোনায় ভাল থাকার পাশাপাশি খেলাধুলায় ও ভাল পারদর্শী ছিল। স্মৃতিচারন করতে গিয়ে বার বার কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক পুলক বাবু। বলেন, এই তো ছুটি কাটিয়ে দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগের দিন আমায় প্রনাম জানিয়ে সৎপাল বলল আমার শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েই সে আজ জীবনে দাঁড়িয়েছে। সেনাবিহিনীতে যোগ দিতে পেরে সে খুশিতে আছে। কে জানত তার সাথে আমার ওই শেষ কথা।

রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি, শেষবার ভিডিও কলে কথা সতপালের

রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি, শেষবার ভিডিও কলে কথা সতপালের
রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি, শেষবার ভিডিও কলে কথা সতপালের 

 

ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা মৃত সতপালের পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। জানা গেছে, তার কফিনবন্দি দেহ তামিলনাড়ু থেকে দিল্লি হয়ে বাগডোগরা যথাযথ মর্যাদায় নিয়ে আসা হবে। সেখান থেকে সড়ক পথে দার্জিলিংয়ের তাকদা তে তার বাসস্থানে নিয়ে আসা হবে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর