নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন করে ৫ করোনা সংক্রামিতের খোঁজ, তাতেই লকডাউন জারি করল চিন! করোনাভাইরাসের প্রথম ঢেউ ঢেউ সামলে নেওয়ার পর চিনে ফের আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গেল। ২১ মে থেকে গতকাল রবিবার দুপুর ২ টো পর্যন্ত পাঁচ জনের করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সেইসঙ্গে হদিশ পাওয়া গিয়েছে পাঁচ উপসর্গহীন আক্রান্তর। আর তাতেই লকডাউনের ঘোষণা করল চীন।
আরও পড়ুনঃ বৈঠকে অনুপস্থিতির কারণ শুভেন্দুই, অবশেষে মোদীকে জানিয়েই দিলেন মমতা।


নতুন করে ৫ করোনা সংক্রামিতের খোঁজ মেলায় চিনের অন্যতম বড় শহর গুয়াংঝাউতে আংশিক লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই শহর থেকে ভাইরাসকে নির্মূল করা পর্যন্ত বাসিন্দাদের বাড়িতেই থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষে। যাবতীয় অত্যাবশ্যকীয় পন্য, ওষুধ, খাদ্যদ্রব্য, বিনোদন সামগ্রী সবই পাওয়া যাবে হেল্প লাইনে ফোন করলে, পৌঁছে দেবে সরকার। তবে প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে বাইরে বেরিয়ে অত্যাবশ্যকীয় পন্য, ওষুধ, খাদ্যদ্রব্য কিনতে পারবেন বাসিন্দারা।
চিন প্রশাসন ঘোষণা করেছে গুয়াংঝাউ শহরে বসবাসকারী প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা পরীক্ষা হবে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যেক শহরবাসীকে টেস্টের আওতায় নিয়ে আসা হবে। চীনা সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নতুন ৫ আক্রান্তের শরীরে নতুন স্টেইন পাওয়া গিয়েছে ভাইরাসের। তাতেই উদবিঘ্ন প্রশাসন। সেই কারনেই গুয়াংঝাউ শহরের প্রত্যেক বাসিন্দার করোনা টেস্ট করা হচ্ছে।
গুয়াংঝাউ শহরের স্বাস্থ্য কমিশনকে উদ্ধৃত করে এ খবর জানিয়েছে চিনের সেন্ট্রাল টেলিভিশন। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় এলাকার সমস্ত বাজার, স্কুল ও বিনোদনকেন্দ্রগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্যে। উল্লেখ্য, করোনার প্রথম ঢেউ প্রথমে চীনে আছড়ে পড়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে কোন ঝুঁকি নিতে চাইছে না জিনপিং প্রশাসন।


প্রসঙ্গত, গত বছরের ১১ই ফেব্রুয়ারি চিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ হয়েছিল। সংক্রামিতের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৯০৫। সেই সংক্রমণ চলতি বছরের ৭ই ফেব্রুয়ারি নেমে আসে মাত্র ১৪তে। তারপর আর নতুন করে সংক্রামিতের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ৭ই ফেব্রিয়ারির পর ২১ মে থেকে গতকাল রবিবার দুপুর ২ টো পর্যন্ত পাঁচ জনের করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



