নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা যুদ্ধে চেতলা অগ্রণী, ফিরহাদের হাত দিয়ে শুরু ‘দুয়ারে অক্সিজেন’ প্রকল্প। গোটা দেশের মতই রাজ্যেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা ২০০০০ পার। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে লফিয়ে। এমন অবস্থায় দিল্লী বা দেশের অন্যান্য রাজ্যের মত আগামীদিনে এ রাজ্যেও অক্সিজেনের আকাল দেখা যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেসজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই অক্সিজেনের অভাবে রোগী মৃত্যুর ঘটনার অভিযোগও উঠেছে।
আরও পড়ুনঃ সময় বাঁচাতে হাসপাতালগুলিকে র্যাপিড টেস্ট চালুর নির্দেশ রাজ্য সরকারের।
এমন অবস্থায় অভিনব উদ্যোগ নিল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ক্লাব চেতলা অগ্রণী। ক্লাবের পক্ষ থেকে শুরু করা হল দুয়ারে অক্সিজেন পরিষেবা। বিনামূল্যে বাড়ি বাড়ি অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া হবে এই উদ্যোগের মাধ্যমে। বুধবার নিজের ক্লাবের এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন ক্লাবের সভাপতি ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত ২০টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর জোগাড় নিয়ে এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে এই পরিষেবা দেবেন চেতলা অগ্রণী ক্লাবের সদস্যরা। তবে খুব তাড়াতাড়ি অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর সংযোজন, 9831104656 অথবা 7003868414 নম্বরে ফোন করে অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা জানালেই বাড়িতে বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়া হবে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর।
এখন জেনে নেওয়া যাক কি এই অক্সিজেন কনসেনট্রেটর। অক্সিজেন কনসেনট্রেটর একটি যন্ত্র, যার সাহায্যে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করা হয়। তার পর নলের মাধ্যমে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া হয়ে থাকে। অক্সিজেন সিলিন্ডার না থাকলে বিকল্প হিসেবে এই যন্ত্রকে কাজে লাগাতে বলছেন চিকিৎসকরা। টানা অপারেশনের ক্ষেত্রেও এই যন্ত্র কাজে লাগে। ২৪ ঘণ্টা অক্সিজেন দিতে পারে এই যন্ত্র। অপরদিকে,বেসরকারি সংস্থা লায়ন্স ক্লাবের সঙ্গে যৌথ ভাবে অক্সিজেন পরিকাঠামো বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর ও কলকাতা পুরসভা। কলকাতার উত্তীর্ণ ভবনে শুরু হয়েছে ২৫ শয্যার অক্সিজেন পার্লার।
করোনা যুদ্ধে চেতলা অগ্রণী, ফিরহাদের হাত দিয়ে শুরু ‘দুয়ারে অক্সিজেন’ প্রকল্প। পরিকাঠামো তৈরি করে দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। জানা গিয়েছে, এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে শিফট ভাগ করে ডাক্তার ও নার্স দিচ্ছে স্বাস্হ্য দফতর। আর অক্সিজেন দিচ্ছে লায়ন্স ক্লাব। ২৫টি শয্যা দিয়ে শুরু হলেও আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে অক্সিজেন পার্লারের শয্যা সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২০০।



