নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২১ জুলাইয়ের বদলে সভা অন্য দিন করুন। বিজেপিকে পরামর্শ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। একই সঙ্গে ২১ জুলাইয়ের আগের দিন সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠালেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, বাউড়িয়ার কর্মসূচিতে কোন কোন নেতা উপস্থিত থাকবেন?ওই সভায় কত লোক থাকতে পারেন? তার একটা আন্দাজ মতো সংখ্যা দিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ TMC MLA: শহীদের রক্তে পা ধুয়ে বিধায়ক হয়েছি, বিতর্ক বাড়ালেন মানগোবিন্দ
উল্লেখ্য পয়গম্বর মহম্মদকে নিয়ে বিজেপি থেকে নিলম্বিত নূপুর শর্মার মন্তব্য ঘিরে সারা দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছিল। বাংলাতেও তার আঁচ দেখা গিয়েছিল। একেবারে রণক্ষেত্র আকার নেয় হাওড়ার উলুবেড়িয়া, পাঁচলা সহ একাধিক এলাকা। ইঁট বৃষ্টির পাশাপাশি চলে পুলিশের ওপর হামলা। বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই কর্মসূচি স্থির করা হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তরফে। এমনটাই খবর ছিল গেরুয়া শিবিরের তরফে। যদিও আদালতে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের প্রচারে এই প্রচার।

এদিন আদালতে শুনানি চলাকালীন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য বলেন, ২১ জুলাই সভার কী গুরুত্ব রয়েছে? ওই দিনেই কেন সভা? বিজেপির আইনজীবীর তরফে বলা হয়, অনেক আগে ঘোষণা ছিল এই কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নমূলক কাজ তুলে ধরতেই এই কর্মসূচি। এরপরেই বিচারপতি বলেন, ওই দিনেই কেন? কেন ২২ অথবা ২৩ নয় কেন? প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন নিয়ে যে দিন খুশি প্রচার করা যায়। ওই দিনেই কেন?
সময় নিয়ে আদালতের কাছে বিজেপির আইনজীবী বলেন, দিল্লি থেকে অনেক নেতারা আসছেন। তাই সমস্ত প্রস্তুতি শেষ। ২১ জুলাইয়ের সভায় ২ হাজারের মতো লোক জড়ো হবে। ওই দিন অন্য রাজনৈতিক দলের সভা থাকলেও কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি দরকার পড়লে সন্ধ্যে ৬ টায় তাঁরা সভা করতে রাজি।
অন্য দিন করুন, জানিয়ে দিলেন বিচারপতি

দিল্লি থেকে আসা নেতারা কীভাবে সভাস্থলে যাবেন? প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। তখন আইনজীবীর প্রশ্ন, তবে কী একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশ থাকলে অন্য দল সমাবেশ করতে পারবে না? বিচারপতি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার পড়লে আপনারা কাল করুন।



