রাজ্যে বিধানসভা ভোট ঘোষণার আগেই বড়সড় নিরাপত্তা পদক্ষেপের পথে নির্বাচন কমিশন। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)–এর শুনানি ঘিরে অশান্তির জেরে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই অন্তত ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর পরিকল্পনা করছে কমিশন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে—এই আশঙ্কাতেই আগাম মোতায়েনের ভাবনা।
সূত্রের খবর, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানো এবং আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার আগেভাগেই কড়া অবস্থান নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। সদ্য বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস এনকে মিশ্রের কাছ থেকেও বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
কমিশন ঘোষণা করেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘সার’–এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে শুনানির নথি যাচাইয়ের গতি নিয়ে সংশয় রয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের। নির্ধারিত দিনে তালিকা প্রকাশ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ভোটার তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই বিধানসভা ভোট ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সেই হিসেবেই মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের সম্ভাবনা প্রবল। আর তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে আগাম কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য, ‘সার’ শুনানি চলাকালীন আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত বিষয়টি পৌঁছয়। রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এমনকি রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে শো–কজ়ের মুখে পড়তে হয়। কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত, ২০২১ সালের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে।



