নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত সুবীরেশ ভট্টাচার্য এখন জেল হেফাজতে। দুর্নীতির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকা সুবীরেশের পূর্বসুরিদের অপসারণের নিয়ম সঠিক ছিল না। সুবীরেশের পূর্বসুরিদের তলব সিবিআইয়ের। সোমবার সকাল ১১ টা নাগাদ এদিন হাজির হয়েছেন দুই প্রাক্তন চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন মণ্ডল ও প্রদীপ কুমার শূর।


সিবিআই সূত্রে খবর, দুর্নীতির বীজ কখন থেকে বপন করা হয়েছিল? এই দুর্নীতির সঙ্গে কারা জড়িত? সেবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুই জনকে তলব করা হয়েছে। একইসঙ্গে দুই জনের অপসারণের ক্ষেত্রে বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সূত্র মারফত জানা গেছে, গোটা দুর্নীতিতে কার কী ভূমিকা ছিল? সেটা খতিয়ে দেখার জন্য সুবীরেশ ভট্টাচার্যের মুখোমুখি বসিয়ে তলব করা হতে পারে।

গত সপ্তাহেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে ফের হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। সুবীরেশকে জিজ্ঞাসাবাদের পর যে সমস্ত তথ্য উঠে এসেছে তা তদন্তের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। এমনকি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রয়োজনে সুবীরেশকে রাজ্যের বাইরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক।
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চে চলে মামলার শুনানি। সেখানেই জামিনের আবেদন জানান সুবীরেশের আইনজীবী। তাঁর প্রশ্ন ছিল, সুবীরেশ ভট্টাচার্য ৮৮ দিন ধরে জেলে রয়েছেন। এর আগে সিবিআই তদন্তে সবরকম সাহায্য করেছেন। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। তদন্তকারী সংস্থার কথা শুনে সুবীরেশকে ফের ৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।


সুবীরেশের পূর্বসুরিদের তলব সিবিআইয়ের, নিজাম প্যালেসে হাজিরা

এরই মধ্যে তদন্তকারী সংস্থার প্রশ্ন, কেন নিয়ম মেনে চিত্তরঞ্জন এবং প্রদীপকুমারকে অপসারিত করা হল? কার নির্দেশেকে তাঁদের বদল করা হয়েছিল? শিক্ষক দুর্নীতি সম্পর্কে আরও তথ্য হাতে পেতেই তলব করা হয়েছে দুই জনকে।







