নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনে এসডিপিওকে তলব করল সিবিআই। গতকাল ঝালদার আইসিকে তলব করা হয়েছিল সিবিআইয়ের তরফে। কিন্তু তিনি উপস্থিত হননি। এরপরেই এসডিপিও সুব্রত দেবকে তলব সিবিআইয়ের। ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছেন এসডিপিও। একই সঙ্গে তপন কান্দু এবং ভাইপো মিঠুন কান্দুর কাছ থেকে ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম নির্দেশে আজ পাকিস্তানে আস্থা ভোট, আজই ইমরানের ভবিষ্যত নির্ধারণ


শুরু থেকেই পরিবারের অভিযোগ উঠেছিল ঝালদার আইসির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বারবার তপন কান্দুকে তৃণমূলে যোগদান করার জন্য জোর দেওয়া হয়েছিল। শুধুমাত্র এসডিপিও নয়, তপন কান্দুর খুনের পর যে পাঁচ জন অফিসারদের ক্লোজড করা হয়েছিল তাঁদেরকে তলব করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। একইসঙ্গে ১৩ মার্চ অর্থাৎ তপন কান্দুর খুনের দিন যেসমস্ত পুলিশ অফিসাররা কর্মরত ছিলেন, তাঁদেরকেও তলব করা হয়েছে।

ঝালদার পুরভোটে ত্রিশঙ্কু ফলাফল হয়েছিল। সেখানে পুরবোর্ড গঠনকে ঘিরে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। পরিবারের তরফে অভিযোগ ছিল বারবার শাসক দল এবং ঝালদা থানার আইসির তরফে তপন কান্দুকে তৃণমূলে যোগদানের জন্য জোর দেওয়া হচ্ছিল। ফোনে আইসি বারবার হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। তাই কী কথা হয়েছে তা জানতে তপন কান্দু এবং তাঁর ভাইপো মিঠুন কান্দুর ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। পুলিশের কাছ থেকে ফোন দুটি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। সমস্ত কল রেকর্ড খতিয়ে দেখা হবে।
ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ভিডিও কল ভাইরাল হয়েছে। সেখানে আইসির সঙ্গে তপন কান্দুর ভাইপো মিঠুন কান্দুকে কী কথা হয়েছিল তা জানতে ফোনের ফরেনসিক কলম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, যেখানে তপন কান্দুকে খুন করা হয়েছিল সেখান থেকে ১১ মিনিটের দূরত্বে নাকা চেকিং। উপস্থিত ছিলেন ৫ জন পুলিশ অফিসার। সেখানে নাকা চেকিং চললেও কীভাবে দুষ্কৃতিরা প্রবেশ করল? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তা খতিয়ে দেখেন সিবিআই আধিকারিকরা।


তপন কান্দু খুনে এসডিপিওকে তলব, তৎপর সিবিআই

অভিযোগ, খুনের দু’দিন আগেই ঝালদা থজানার আইসি তপন কান্দুকে ঝালদা থানায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন। সেই সত্যতা যাচাই করতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ। গতকাল তিন প্রত্যক্ষদর্শী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই।








