নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইডি, সিবিআইকে ব্যবহার করে ভয় দেখাচ্ছে কেন্দ্রিয় সরকার। একথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে আকছাড় শোনা যেত। সোমবার আরও একবার একই ইস্যুতে সরব হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি জানিয়েছেন, এজেন্সিগুলিকে দিয়ে রাজ্যের উপর হস্তক্ষেপ করছে কেন্দ্র। দেশকে ‘এজেন্সি রুল’ থেকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হোক। দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
আরও পড়ুনঃ স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দায়িত্ববোধ বজায় থাকুক, ব্রাত্যর সঙ্গে বৈঠকে বার্তা দিলেন রাজ্যপাল
এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে মমতার বার্তা, সব ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছে কেন্দ্র, এজেন্সি দিয়ে তুঘলকি কায়দায় সরকার চালাচ্ছে। এরকম এত নিম্নমানের কাজ হিটলার, স্ট্যালিনও করেনি। দেশটাকে বিক্রি করে দিচ্ছে, যেখানে পারছে ঘরবাড়ি ভাঙছে। আমাদের না জানিয়ে ঘর বাড়ি ভাঙছে।

সরাসরফি কেন্দ্রিয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতার বক্তব্য, বিরোধীদের অপদস্থ করছে এই সরকার। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে ফেলেছে। সব ব্যাপারে এজেন্সি ব্যবহার করে তুঘলকি কায়দায় সরকার চালাতে চাইছে কেন্দ্র। তবে সব এজেন্সি খারাপ, আমি বলছি না। ওরা ঠিক করে কাজ করতে পারছে না। কারণ, দু’জনের হাতে অটোনমি রয়েছে। অর্থাৎ নাম না করলেও আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে। এবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

ক্ষমতায় এসে এ ভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা উচিত নয়। এজেন্সিগুলিকে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে দিতে হবে। দেশকে এজেন্সি রুল থেকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে অটোনমি দেওয়া হোক। কেন্দ্র শুধুই বেতন দেওয়ার কাজ করুক। নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিতে হবে সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে।
তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হোক, দাবী মমতার

কয়লা পাচার, গরু পাচার থেকে শুরু করে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় তৃণমূল নেতাদের নিত্যদিন তলব করে চলেছে সিবিআই এবং ইডি। যা নিয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত হচ্ছে। এখানে কেন্দ্র কী করছে? রাজ্যের জ্বলন্ত সমস্যা থেকে চোখ সরাতে একথা বলছে তৃণমূল।



