নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নাম মুখে আনা একজনের বাড়িতে কড়া নাড়ল সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেতা-মন্ত্রীদের পাশাপাশি এমন অনেকের নাম সামনে এসেছে, যাঁরা কখনই লাইমলাইটে ছিলেন না। তেমনই এক ব্যক্তি হলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু। তিনি আদতে বেহালার ‘বাবু’। পেল্লাই তাঁর বাড়ি, নাম রেখেছেন রাধারানি। কিন্তু এখন ‘কালীঘাটের কাকু’ হিসাবেই পরিচিত। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে ‘কালীঘাটের কাকু’ হিসেবে তাঁর নাম সামনে আসে।
আরও পড়ুনঃ পুলিশ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে, ময়নার ঘটনায় ক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গোপাল দলপতির মুখে শোনা গিয়েছিল ‘কালীঘাটের কাকু’র (Kalighater Kaku) কথা। গোপাল বলেছিলেন, কুন্তল ঘোষ তাঁকে বলতেন, তাপস মণ্ডলকে তাড়াতাড়ি সব পেমেন্ট ক্লিয়ার করার কথা। কারণ, সেই টাকা নিয়ে কালীঘাটের কাকুর কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

পরে তাঁকে তলবও করা হয়েছিল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এবার সেই সুজয়কৃষ্ণের বাড়িতে হাজির হল সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন ৬-৭ জন সিবিআই আধিকারিক। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে তাঁর বাড়ির সামনে। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে খবর।
সাত সকালে কালীঘাটের কাকুর বাড়িতে CBI, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলা হল বাড়ি!

নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে তাপস মণ্ডল প্রথম কুন্তল ঘোষের নাম প্রকাশ্যে এনেছিলেন। ধরা পড়ার পর কুন্তল গোপাল দলপতির নাম বলেছিলেন। আবার গোপাল দলপতি ধরা পড়ার আগেই এই কালীঘাটের কাকুর কথা বলেছিলেন। আর কালীঘাটের কাকুর মুখে উঠে এসেছিল অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নাম। তবে কোন দুর্নীতি প্রসঙ্গে নয়। ভাত কাপড়ের প্রসঙ্গে।

বেহালার বাড়িতে বসে সাংবাদিকদের সামনে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন ‘কালীঘাটের কাকু’। বলেছিলেন, লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ড্স কোম্পানির সবটাই দেখি। ব্যবসা শুরু করেছিলাম ছোট করে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা বললে ভুল হবে। আমি প্রথম দিন থেকেই রয়েছি। ছোট ছোট কাজ করতে করতে তৈরি করেছি এই জলের কারখানা।” সুজয় বাবু বলেন, “আমার মালিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি এখন নেই। চাকরিটা উনি দিয়েছিলেন। আজকে ভাতটা তো আমার তার পয়সাতেই হয়।”



