নজরবন্দি ব্যুরো: ময়নায় বিজেপি কর্মী বিজয়কৃষ্ণ মৃত্যুর ঘটনায় এখনও সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে হবে বিজয়কৃষ্ণের দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত। বুধবার দেহ শণাক্ত করা গেলেও এখনও অবধি কেন তা কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না? প্রশ্ন তুলেছে পরিবার। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুললেন জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরো বিষয়টিকে পুলিশ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুনঃ Horoscope: মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে মিথুন ও কুম্ভ সহ ৫ রাশির দারুণ উন্নতির যোগ, জানুন রাশিফল
বৃহস্পতিবার সকালেই মৃত বিজেপি কর্মী বিজয়কৃষ্ণের দেহ কলকাতায় আনার কথা ছিল। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় সময় লাগায় ক্ষোভ উগরে দেয় তার পরিবারের সদস্যরা। বিজয়কৃষ্ণের ছেলের অভিযোগ, শুধু বলা হচ্ছে, এই হচ্ছে, এই হচ্ছে। কিছু যেন লুকানোর চেষ্টা চলছে। এত সময় কি আদৌ লাগে?

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। ময়না থানার ওসিকে ডেকে তিনি বলেন, একটা মৃতদেহকে তোলার পর স্পটে লাইট এনে তদন্ত করতে হবে। আপনি তা না এনে তদন্ত করবেন কীভাবে? মৃতদেহকে তো দেখতে হবে।
এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ছোট ঘটনা হলেও জাতীয় কমিশন গেলে ঘতনাস্থলে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিত থাকতে হয়। জাতীয় এসসি কমিশন দিল্লি থেকে এখানে পৌঁছে গেল আর এসপি এলেন না? অনেক রাজ্যে আমি ডিজিকে নিয়ে গিয়েছি। এসপি না এসে থানার আইজিকে পাঠিয়েছেন। আমাকে অপমান করা হল।
পুলিশ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে, ময়নার ঘটনায় ক্ষোভ বাড়ছে

ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করেছে ময়না থানার পুলিশ। বুধবার স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতার করল ময়না থানার পুলিশ৷ তৃণমূল নেতার নাম মিলন ভৌমিক৷ পুলিশ সূত্রে খবর, বিজয়কৃষ্ণের স্ত্রী লক্ষ্মী ময়না থানায় যে ৩৪ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন, সেই তালিকায় ২৬ নম্বরে নাম রয়েছে মিলনের।



