বাংলায় মেডিক্যাল কলেজ ভর্তিতে দুর্নীতি ছায়া। মেডিক্যালে ভর্তি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তার ঠিক কিছুক্ষণের মধ্যে মৌখিক দৃষ্টি আকর্ষণেই স্থগিতাদেশ দিল বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুন: ৬০-৭০ হাজার বেকারদের চাকরি আটকে দিয়েছে রাম-বাম-শ্যাম! গুরুতর অভিযোগ মমতার
রাজ্যে আবার এক দুর্নীতি। শিক্ষা, রেশন থেকে শুরু করে এবার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তিতে দুর্নীতি। রাজ্য পুলিশের ওপর তদন্তে আস্থা নেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। সে কারণে তিনি বুধবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, এদিন রাজ্যের এজি আদালতে কিছু তথ্য তুলে দেন। সেই তথ্যও এজেন্সির হাতে তুলে দেবার নির্দেশ দেন বিচারপতি।

এরপরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে বিরোধিতা করে ডিভিশন বেঞ্চে পাল্টা আবেদন করে রাজ্য। সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতির নির্দেশকে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল বেঞ্চ। দুপুর আড়াইটের মধ্যে এজিকে তথ্য জমা দেওয়ার যে নির্দেশও দিয়েছিলেন বিচারপতি সেই নির্দেশকেও স্থগিতাদেশ।

মূল মামলার বিষয়টি হল, সংরক্ষিত আসন অর্থাৎ তফসিলি উপজাতি (এসটি) না হওয়া সত্ত্বেও অনেক পড়ুয়া ভুয়ো শংসাপত্র ব্যবহার করে সরকারি কলেজে ভর্তি হয়েছেন। ওই কলেজের তালিকায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ, কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের নাম রয়েছে।
মেডিক্যালে ভর্তি মামলায় CBI তদন্তের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ

উল্লেখ্য, মামলাকারী আদালতে ৫০ জনের নাম জমা দেন। তাঁর বক্তব্য, ওই ৫০ জনের শংসাপত্র খতিয়ে দেখা হোক। ৫০ জনকে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি, বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এই মামলাটি চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে আবার যেতে পারে। তাই রাজ্যের কাছে আমি আশা করব এখনও পর্যন্ত সিবিআই তদন্ত আটকাতে কত টাকা খরচ করা হয়েছে তা তারা জানাবে।



