আরজি করে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্ত করছে সিবিআই। সেই সূত্রেই সন্দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সময় তিনি হাসপাতালের পাতালের অধ্যক্ষ ছিলেন সেই সুত্রেই একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। শুক্রবার অষ্টমবারের জন্য সিজিওতে তলব সন্দীপকে। তবে এই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনরত চিকিৎসক পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি প্রায় ১০ দিনের বেশি হল তদন্ত ভার হাতে নিয়েছে সিবিআই কিন্তু এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না কেন?
রাজ্যে ক্রমেই বেড়ে চলেছে বিচারের দাবি চেয়ে আন্দোলন। সর্বস্তরের মানুষ বিচারের দাবি চেয়ে রাস্তায় নেমেছে। পাশাপাশি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্ট করে বুধবার লিখেছে, ‘১৬৫ ঘণ্টা পার, তদন্তে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না’। ‘আর জি কর মেডিক্যালের নির্যাতিতাকে বিচার পেতে কত অপেক্ষা করাবে CBI?’ এই পোস্ট কে ঘিরেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। ফলে কার্যত চাপের মুখে পড়েছে সিবিআই।


বৃহস্পতিবার দুপুরে শিয়ালদহ আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষকে। খুন ও ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে কী জানেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ এ বিষয়ে আদালতে জানান তিনি। এদিন আদালতে তাঁর পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন জানায় সিবিআই। এদিন পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি দিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি গ্রেপ্তার হওয়া সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় ও তার এক সঙ্গীরও পলিগ্রাফ টেস্ট করা হবে।
বৃহস্পতিবার আরজিকর কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার দ্বিতীয় শুনানি হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। নির্দেশ অনুসারে এদিন আরজি কর মামলার তদন্তের রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে সুপ্রিম কোর্টের কাছে জমা দিল সিবিআই। স্ট্যাটাস রিপোর্ট-এ সিবিআই উল্লেখ করেছে, পাঁচ দিনের মাথায় তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। তার আগে কী হয়েছে জানা নেই বলে দাবি স্টেটাস রিপোর্টে।







