নজরবন্দি ব্যুরোঃ AIIMS -এর নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্ত কতদূর? তা জানতে সিআইডির কাছ থেকে রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিলেন আগামী ১৬ অগাস্টের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ Partha-Arpita: ইডির কাছে অর্পিতা অচেনা! পার্থর মন্তব্যে ঘনাচ্ছে রহস্য


সূত্রে খবর, কল্যাণী এইমসে নিয়োগে দুর্নীতির কথা এর আগে উল্লেখ করেন মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ ছিল, স্কুল সার্ভিস কমিশনের মতো কল্যাণী এইমসে প্রভাব খাটিয়ে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে বিজেপির দুই সাংসদ, দুই বিধায়ক-সহ ৮ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়। তদন্তে নামে সিআইডি। ইতিমধ্যেই সমস্ত নথি কল্যাণী থানার তরফে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সূত্রের খবর, কল্যাণী এইমসে নিয়োগ-দুর্নীতির অভিযোগে এফআইআরে নাম রয়েছে বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার, বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা ও চাকদার বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ-সহ ৮ জনের।
এর আগে দুই বার বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার বাড়িতে যায় সিআইডি কর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় নীলাদ্রি কন্যা মৈত্রী দানাকেও। মৈত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ বেশ কিছু অসঙ্গতি মেলায় বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানাকে ভবানীভবনে তলব করেছে সিআইডি কর্তারা।


AIIMS -এর নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্ত কতদূর? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

এরইমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। কল্যাণী এইমসে মৈত্রীকে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে ‘বেআইনি ভাবে’ চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বৃস্পতিবার হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন সুজিত চক্রবর্তী। সিআইডি নয়, এখানেও সিবিআই তদন্ত চাইছেন তাঁরা। শুধুমাত্র মৈত্রী দানা নয়, একাধিক বিজেপি নেতারা এর সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।







