চাকা গড়ানোর আগেই ট্রেন চালানোয় স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ চাকা গড়ানোর আগেই ট্রেন চালানোয় স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধ্যায় পুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণ পরিপ্রেক্ষিতে একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে জানিয়েছেন, কালীপুজো-জগদ্ধাত্রী পুজোয় যেসব জায়গায় বেশী লোকের সমাগম হয়, সেইসব স্থানে আপাতত লোকাল ট্রেনের বন্ধ রাখা হোক।টানা ৭ মাস। তারপর কেন্দ্র রাজ্য পত্র বিনিময়। জল গড়িয়েছে অনেকটাই।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে FIR নয়, হাইকোর্টের রায়ে স্বস্তি রাজ্য বিজেপির

শেষমেশ আগামীকাল থেকে লোকাল ট্রেন চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না। চাকা গড়ানোর আগেই ট্রেন চালানোয় স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধ্যায় পুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণ পরিপ্রেক্ষিতে একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে জানিয়েছেন, কালীপুজো-জগদ্ধাত্রী পুজোয় যেসব জায়গায় বেশী লোকের সমাগম হয়, সেইসব স্থানে আপাতত লোকাল ট্রেনের বন্ধ রাখা হোক। পূর্বনিধারিত আলোচনা অনুযায়ী লোকাল ট্রেনের দৈনিক টিকিট বুধবার থেকে পাওয়া যাবে।

মান্থলি টিকিটের পাশাপাশি এদিন স্টেশন পরিচ্ছন্ন করার কাজও চলে। বহু দিন পর ছন্দে ফিরতে শুরু করে দমদম, নৈহাটি, বারাসত, ব্যান্ডেল, সোনারপুর প্রভৃতি রেল স্টেশন। রেলকর্মীদেরও বাড়তি ব্যস্ততা চোখে পড়ে এদিন। রেলকে সব রকম সহায়তার জন্য ১০ জেলার শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব ডিকে দ্বিবেদী। এরই মধ্যে রাজ্য সরকার ট্রেন চলাচলের উপরে নির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন প্রকাশ করল। স্টেশনে প্রবেশের সময় যাত্রীদের থার্মাল চেকিং করা হবে।

প্রত্যেক যাত্রীকে মাস্ক পড়তে হবে। মাস্ক না পড়লে অথবা থার্মাল চেকিং ঠিকভাবে না হলে সেই যাত্রীকে ট্রেনে উঠতে দেওয়া হবে না। আরপিএফ এবং জিআরপি এর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে। রেলের কামরায় বর্তমানে কোন হকারকে উঠতে দেওয়া হবে না। স্টেশনের দোকানগুলি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হচ্ছে এখন। তবে ব্যবসায়ীরা চাইলে ভেন্ডার কামরাতে যাত্রা করতে পারবেন। প্রতিটি স্টেশনে আলাদা ঘর রাখা হবে।

যদি কোন যাত্রীর করোনা উপসর্গ ধরা পড়ে, তাহলে ওই ঘরে রেখে তাকে প্রাথমিক চিকিত্‍সা দেওয়া হবে। তারপর তাকে স্বাস্থ্য কেন্দ্র অথবা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার ব্যবস্থা করা হবে।নির্দেশ অনুযায়ী সব প্লাটফর্মের চারদিক ঘিরে দেওয়া হচ্ছে, কারণ হিসেবে জানিয়েছেন মাত্র দুটি গেট থাকবে যেহেতু করোনা পরিস্থিতি চলছে তাই এন্ট্রি গেট দিয়ে যাত্রীদের থার্মাল স্ক্রীনিং করিয়ে যাত্রীদের প্লাটফর্মে প্রবেশ করানো হবে, অন্যটি দিয়ে এক্সিট অর্থাত্‍ বাহির পথ থাকবে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর