নজরবন্দি ব্যুরোঃ বন দফতরে নিয়োগ দূর্নীতি! রাজীবের হুমকি উড়িয়ে তদন্তে শিলমোহর মন্ত্রীসভার। গত বুধবার বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করেই প্রাক্তন বনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কারচুপি অভিযোগ তোলেন তিনি। পরে হুগলির গুড়াপের সভা থেকে তার পালটা জবাব দেন সদ্য তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমত হুমকি দেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ আবার ভাঙন তৃণমূলে! এবার দল ছাড়লেন দুই জেলা নেতা।
মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছিলেন, “আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।” মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব দিতে গিয়ে রাজীব বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আলিপুরদুয়ারে বলেছেন, বন সহায়কের চাকরিতে কারসাজি হয়েছে, উনি তদন্ত করবেন। তা হলে বলি শুনুন, বন সহায়কের নিয়োগ আমি নিরপেক্ষ ভাবে বোর্ডের হাতে তুলে দিয়েছিলাম।”
রাজিব আরও বলেন, “৮ অক্টোবর সকালে বন সহায়ক নিয়োগের ব্যাপারে বীরভূমের এক বড় নেতা ফোনে আমাকে ধমকি দিয়ে বলেছিলেন বন সহায়কের চাকরি সব তাঁকে দিতে হবে। আমি আপনাকে মেসেজ করে তা জানিয়েছিলাম। আপনি পাল্টা ফোন করে আমাকে বলেছিলেন, সব জেলায় জেলায় তৃণমূলের নেতা কর্মীদের কিছু কিছু করে দিয়ে দাও। এতদিন মুখ খুলিনি। আমার কাছে ওই মেসেজ এখনও আছে। ৮ অক্টোবর সকাল ৯ টা ৫৮ মিনিটে আপনার সঙ্গে কথা হয়েছিল।”
বন দফতরে নিয়োগ দূর্নীতি! রাজীবের সেই “কেঁচো খুড়তে খুড়তে কেউটে সাপ” বেরিয়ে যাবে এই হুমকি কে গ্রাহ্য না করে তদন্তের অনুমোদন দিল মন্ত্রীসভা। আজ, মন্ত্রী সভার বৈঠকে প্রায় সব মন্ত্রী এক্সুরে তদন্তের দাবি জানান। তাঁদের কথায়, যাঁরা বনজঙ্গল চেনেন তাঁদের নিয়োগ না করে অন্য লোকজনকে নিয়োগ করা হয়েছে ওই দফতরে। তাই তদন্তের প্রয়োজন আছে!



