নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেণ্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর যত সময় এগিয়েছে গোটা দেশ জুড়ে তাণ্ডব দেখিয়েছে রুশ সেনা। তছনছ হয়ে গিয়েছে ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি। রেহাই পায়নি সেখানকার নাগরিকেরাও। গতকাল অচেনা কিয়েভের ছবি ধরা দিয়েছিল গোটা বিশ্ববাসীর সামনে। যতই এগোনো যায় চোখে পড়ে শুধুই মৃতের স্তূপ। যা নিয়ে নিন্দায় সরব হয়ে ওঠে গোটা বিশ্ব।
আরও পড়ুনঃ ভারতের পরিকাঠামো কেমন তা জানি, টালমাটাল পরিস্থিতিতে সাবধানী রামিজ


একই পরিস্থিতি দেখা যায় কিয়েভ নিকটবর্তী বুচা শহরে। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ে ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স সহ একাধিক দেশ। তবে এবার বুচার একটি ছবি টুইট করেন ইউক্রেনীয় পার্লামেন্টের সদস্য লেসিয়া ভেসিলেন। সেখানেই দেখা যায় মৃতার গায়ে পোড়া স্বস্তিক চিহ্ন। যা দেস্খে শিউরে উঠছেন প্রত্যেকে। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, পুতিনের সেনারা যথেচ্ছ পরিমানে লুটপাট চালিয়েছে। খুন করেছে। মহিলার গোপনাঙ্গে আঘাত করেছে। তিনি আরও লেখেন, রাশিয়ার মায়েরা এমন সন্তানদের বড় করেছে।”
তবে এখানেই শেষ নয়। তিনি টুইট করে আরও লেখেন, ইউক্রেনীয় মহিলাদের ধর্ষণ করে খুন করার আগে নৃশংস অত্যাচার চালানো হয়েছে। আমি আর কিছু বলার অবস্থায় নেই। পুতিন এবার থামুন। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে নেয় মস্কো। বিশেষ বিবৃতি জারি করে ক্রেমলিনের তরফে জানানো হয়, সমস্ত ছবি ও ভিডিও একেবারেই ভুয়ো। আমাদের দিকে মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে।
মৃতার গায়ে পোড়া স্বস্তিক চিহ্ন, অভিযোগের তির রুশদের দিকে

তবে রুশদের তরফে এসবের দায় নিতে অস্বীকার করা হলেও, গোটা বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। শোনা যাচ্ছে, সেখান থেকেই রুশদের উপরে আরও বিধিনিষেধ চাপানোর কথা ভাবা হচ্ছে। এছাড়াও আজ বুচায় গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। দেখেছেন গোটা পরিস্থিতি। তিনি বলেন, বর্তমানে চরমে পৌঁছেছে রুশ আগ্রাসন। তার দাবি প্রায় ৩০০ ছারাতে পারে বুচায় নিহতদের সংখ্যা। এছাড়াও গনকবরের আশঙ্কাও করছেন তিনি।











