বাংলার বাম আর ত্রিপুরার বাম পৃথক, প্রশংসা করেও জোটের পথ বন্ধের বার্তা ব্রাত্যর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৩ এর ভোটের আগে এই মুহুর্তে মমতার মা-মাটি-মানুষের চোখ ত্রিপুরায়। একদিকে জোর জল্পনা চলছিল বিপ্লব দেবকে নিয়ে। গদি থাকবে তাঁর দখলেই নাকি বদলাবেন দাবিদার। সেই জল্পনায় আপাতত ইতি পড়েছে। আজ বিপ্লবের রাজ্য জুড়ে বিজেপি পালন করছে বিক্ষোভ মিছিল।

আরও পড়ুনঃ মাঠ ছাড়তে নারাজ মমতা, আজই ত্রিপুরায় তৃণমূলের ৯ সাংসদ-মন্ত্রী

তার মধ্যেই  পড়শি রাজ্যে পা রেখেছেন তৃণমূলের ৯ সাংসদ-মন্ত্রী। মামলা দায়ের হওয়ার পর আজ প্রথম সে রাজ্যে পা দিলেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সঙ্গে গিয়েছেন দোলা সেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, প্রসূন ব্যানার্জি, প্রতিমা মন্ডল, অপরূপা পোদ্দার, আবীররঞ্জন বিশ্বাস, আবু তাহের খান। আগরতলায় নেমেই ব্রাত্য বলেন, ‘‘দরকার পড়লে বারবার ত্রিপুরায় আসব। স্থানীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা ত্রিপুরার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেব। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়ন ও লড়াকু নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা আমরা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’’

একই সঙ্গে বামেদের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গ নিয়েও আজ বার্তা দিয়েছেন ব্রাত্য। গত কয়েকদিনে ত্রিপুরায় ঘাসফুলের শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই জল্পনা চলছিল বিপ্লবের রাজ্যে নয়া বিপ্লব ঘটাতে বামেরা হাত ধরবে তৃণমূলের। জল্পনার পিছনের যুক্তি হিসেবে উঠে আসছিল একাধিক ঘটনা। আইপ্যাক ইস্যুতে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গলাতে শোনা গিয়েছিল হুবহু তৃণমূলের সুর।

বাংলার বাম আর ত্রিপুরার বাম এক নয়, দলে আসার রাস্তা খোলা রেখে  প্রশংসা ব্রাত্যর গলায়। 

বাংলার বাম আর ত্রিপুরার বাম পৃথক, প্রশংসা করেও জোটের পথ বন্ধের বার্তা ব্রাত্যর
বাংলার বাম আর ত্রিপুরার বাম পৃথক, প্রশংসা করেও জোটের পথ বন্ধের বার্তা ব্রাত্যর

অন্যদিকে ত্রিপুরায় গিয়েই তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ সাক্ষাৎ করেছিলেন বর্ষীয়ান বাম নেতার সঙ্গে। বাংলায় দাঁড়িয়ে বিমান বসুও বলেছিলেন বিজেপিকে রুখতে যে কোন দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে রাজি বামেরা। সব মিলিয়ে দুইয়ে দুইয়ে চার করে জল্পনা চলছিল ত্রিপুরায় বাম তৃণমূল জোটের।

তবে আজ সে রাজ্যে পা দিয়েই এই সম্ভাবনা উডিয়ে দিয়েছেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ‘‘ত্রিপুরায় বামেদের সঙ্গে কোনও জোট হবে না। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বামেদের সঙ্গে এই রাজ্যের বামেদের চরিত্রগত পার্থক্য আছে। বাংলার বাম আর ত্রিপুরার বাম পৃথক। তাঁরা মাটির কাছাকাছি থেকে লড়াই করছেন। চাইলে বাম নেতাকর্মীরা তৃণমূলে আসতে পারেন। তাঁরা জানেন, বিজেপি-র বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই লড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত