‘গণতন্ত্রের কালো দিন শুরু হয়ে গেছে।’ দিল্লি বিল পাশ হওয়ার পর ক্ষোভ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: লোকসভায় অনেক আগেই দিল্লির প্রশাসনিক ক্ষমতা সংক্রান্ত বিলটি পাশ হয়েছিল।এবার রাজ্যসভায় তীব্র বিরোধিতা, তুমুল হই–হট্টগোলের মধ্যে  পাশ হয়ে গিয়েছে দিল্লির প্রশাসনিক ক্ষমতা সংক্রান্ত বিলটি। বিল পাস হওয়ার পরেও বিরোধী দলগুলি তারপরও বিলের বিরোধিতায় গলা চড়াতে শুরু করে।দিল্লির প্রশাসনিক ক্ষমতা কার হাতে থাকবে–নির্বাচিত সরকার নাকি উপরাজ্যপালের হাতে? তা নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত রাজ্যসভাতেও পাশ হয়ে গেল জিএনসিটিডি বিলটি।

আরও পড়ুনঃ ধুন্ধুমার বারুইপুর! তৃণমূল-ISF সংঘর্ষে মৃত ১

উপরাজ্যপালের হাতে দিল্লির প্রশাসনিক ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে। আর তাই নিয়েই মেজাজ হারিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। টুইটে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘‌গণতন্ত্রের কালো দিন শুরু হয়ে গেছে।’‌

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, দিল্লির ভোটে বিজেপি দু’‌বার হেরেছে। এখন শাসন ক্ষমতা নিজেদের হাতে রাখতে বিল পাশ করেছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতা খর্ব করে তাকে ঠুঁটো করে রাখতে চাইছে কেন্দ্র। এইভাবে দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও সংবিধানের উপরেও আঘাত হানা হচ্ছে। তিনি বলেন,‘‌আমরা হার মানব না, লড়াই থামাব না। মানুষের ক্ষমতা যাতে মানুষের হাতেই থাকে, সে নিয়ে লড়াই চলবে। যতই বাধা আসুক, আমরা থামব না।’‌

তবে লোকসভায় এই বিল পাশের পরেই কেজরিওয়াল প্রশ্ন তুলেছিলেন, “সব ক্ষমতা উপরাজ্যপালের হাতে থাকলে নির্বাচিত সরকারের আর কোনও ভূমিকা থাকবে না?। দিল্লির শাসনব্যবস্থা পুরো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে চলে যাবে?। “প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,দিল্লি বিল নিয়ে কেজরিওয়ালের পাশে দাঁড়িয়েছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’‌ব্রায়েন বলেন, “পাঁচটি রাজ্যে আর দু’দিন বাদেই ভোট। অথচ তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদেরা দিল্লি উড়ে যান কেন্দ্রের জিএনসিটিডি বিলটি আনার গা–জোয়ারি করে চেষ্টা আটকাতে।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন