নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই বাংলাজুড়ে একের পর এক অশান্তির ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। যার জেরে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি! অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া শুরু হয়েছে। শাসক ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা মনোনয়ন পত্র নিতে পৌঁছে যাচ্ছেন বিডিও অফিসে। কিন্তু সেখানে গিয়ে সরকারি কর্মীদের অসহযোগিতার শিকার হচ্ছেন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা। রবিবার ঠিক এমনটাই দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন: শাহ-শুভেন্দুর বৈঠকে পঞ্চায়েতে হিংসার ছক কষা হল না তো? বিস্ফোরক কুণাল


মনোনয়ন ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন শুভেন্দু অধিকারী! শাসক দলকে কটাক্ষ করে ট্যুইটে তিনি লেখেন, “সরকারি কর্মীরা তৃণমূলের কর্মচারী! সেই কারণেই মনোনয়ন পত্র তুলতে গিয়ে বিরোধীরা সরকারি কর্মীদের অসহযোগিতার শিকার হচ্ছেন।” একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বাঁকুড়া জেলার একটি ব্লক অফিসে মনোনয়ন পত্র তোলা সংক্রান্ত ভিডিও পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা। যদিওবা ওই ভিডিও প্রসঙ্গে কোনও রকমের প্রতিক্রিয়া করেনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে উঠে আসছে অশান্তির খবর। প্রথম দিনই মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রাণ খোয়ালেন এক কংগ্রেস কর্মী। অন্যদিকে, ডোমকল, খড়গ্রাম-সহ একাধিক জায়গায় গন্ডগোলের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে! এহেন পরিস্থিতিতে বাংলাজুড়ে অবাধ-শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছে শাসক বিরোধী দলগুলি। শুধু তাই নয়, বাংলাজুড়ে এই অশান্তির জন্য তৃণমূলকেই দায়ী করেছে বিরোধী দলনেতারা।



এদিন ট্যুইটে শুভেন্দু অধিকারী লিখেন, “তৃণমূল গুন্ডাদের বাধা পেরিয়ে মনোনয়ন তুলতে অনেক কষ্টে বিরোধী প্রার্থীরা বিডিও অফিস পৌঁছাছেন। কিন্তু সেখানে গেলেও তাঁদের দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। আর যদি তাঁরা ভাগ্যবান হন, তাহলে দীর্ঘ সময় পর মনোনয়ন পত্র এবং ডিসিআর পাচ্ছেন। আর তা না-হলে বলা হচ্ছে যে, এখন কাজের সময় পেরিয়ে গিয়েছে, পরের দিন আসুন! কিংবা মনোনয়নের ফর্ম পর্যাপ্ত নেই। কিন্তু তৃণমূলের প্রার্থীদের জন্য মনোনয়ন পত্র হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এটাই বাংলা!”
সরকারি কর্মীরা তৃণমূলের কর্মচারী, বিস্ফোরক শুভেন্দু









