নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বৈঠক শেষ হয়েছে একটু আগেই। আজকের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত মান এবং দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী আতিশী মার্লেনা, সাংসদ রাঘব চাড্ডা এবং সঞ্জয় সিং উপস্থিত ছিলেন। এদিনের বৈঠক শেষে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান কেজরিওয়াল।
আরও পড়ুনঃ SSKM-র পর ফের আরও এক হাসপাতালে রোগী ভর্তি নিয়ে সমস্যা! ভিডিও ভাইরাল
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে বসে বলেন, ‘দিল্লি সরকারের ক্ষমতা কেড়ে নিতে কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্ডিন্যান্স জারি করেছে তা রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) আটকে দেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘উপরাজ্যপালদের দিয়ে শুধু দিল্লি সরকারকে নয়, কেন্দ্রীয় সরকার গোটা দেশে অবিজেপি সরকারগুলিকে রাজ্যপালদের দিয়ে হেনস্থা করছে। বিজেপি বিধায়ক কিনে, ইডি, সিবিআইকে দিয়ে সরকার ভাঙিয়ে ক্ষমতা দখল করছে। কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টের রায় পর্যন্ত মানছে না।’

কেজরিওয়ালদের পাশে পেয়ে উজ্জীবিত হন মমতা বন্দোপাধ্যায়। মেয়াদ শেষের আগেই পতন হতে পারে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের। মঙ্গলবার আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kerjiwal) সঙ্গে দেখা করার পর নয়া দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করে মমতার বার্তা, ‘আজ আমি আছি, কাল নাও থাকতে পারি।’
মেয়াদ শেষের আগেই পতন হতে পারে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের, নয়া দাবি মমতার!

মমতা বন্দোপাধ্যায় বুঝিয়ে দেন, চমকপ্রদ কিছু হলে ২০২৪ লোকসভার আগেও পড়ে যেতে পারে কেন্দ্রের সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘আর তো ৬ মাসের ব্যাপার। আর যদি কোনও মিরাক্যাল হয়ে যায়, সরকার আগেও পড়তে পারে। কে বলতে পারে, আমি আজ বেঁচে আছি, কাল নাও থাকতে পারি। নির্বাচন হলেও ৬ মাস বাকি। তার চেয়ে বেশি নয়।’

মমতার দাবি, তেলেঙ্গানা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু, কেরল, পাঞ্জাব, বিহার ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, সব জায়গায় বিরোধীরা একত্রিত হচ্ছে। আরও দলকে একত্রিত হতে হবে। যদিও মমতা যে যে রাজ্যের কথা বলছেন, সেগুলির মধ্যে একাধিক রাজ্যে এখনও বিজেপি বিরোধী ভোট একত্রিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি আসেনি।



