NRS-এ হোমগার্ডকে চড় বিজেপি নেতার, দিলীপ বললেন ‘ঠিক করেছে’!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ NRS-এ হোমগার্ডকে চড়  মারেন এক বিজেপি নেতা। ঘটনার সূত্রপাত বিজেপি কর্মী অভিজিত সরকারের মৃতদেহ হস্তান্তরের সময়। ভোটের ফল প্রকাশের দিনে নিহত হয়েছেন কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিত। গত ৪ মাস ধরে তার দেহ পড়ে ছিল মর্গেই।

আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় জ্বলছে CPIM পার্টি অফিস, মানিক সরকারের পাশে থাকার বার্তা তৃণমূলের

পরিবারের সন্দেহ ছিল মর্গে থাকা দেহ আদেউ অভিজিতের কিনা। ডিএনএ পরীক্ষা ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যায় ওই দেহ অভিজিতেরই। বুধবারই শিয়ালদা আদালত নির্দেশ দেয়, যত দ্রুত সম্ভব অভিজিত্‍ সরকারের মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে।

পরিকল্পনা ছিল দেহ নিয়ে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হবে বিজেপির দপ্তরে এবং তার পরে বাড়িতে। কিন্তু দেহ আনতে গিয়েই হাতাহাতি অশান্তিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে NRS চত্বর। সূত্রের খবর দেহ হস্তান্তরের সময় আচমকা বচসা শুরু হয় পুলিশ-বিজেপি কর্মীদের।

দেহ আনার জন্য পরিবারের লোকজনের সঙ্গেই সকাল থেকে হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত ছিলেন, অর্জুন সিং, প্রিয়াঙ্কা টিব্রেয়াল, শিবাজি সিংহ রায়, দেবদত্ত মাজি সহ নেতা নেত্রীরা।   অভিযোগ দেহ ছাড়া নিয়ে বচসা বাধে পুলিশ এবং বিজেপির।

           NRS-এ হোমগার্ডকে চড় বিজেপি নেতার, ভাইরাল ভিডিও। 

বিজেপির অভিযোগ ছিল দেহ দিতে ইচ্ছাকৃত ভাবে ঢিলেমি করছে পুলিশ। তার পরেই শুরু হয় বচসা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে বিজেপি নেতা দেবদত্ত মাজি হোমগার্ডকে ধাক্কা ও চড় মারেন। সেই নিয়ে গত কয়েক ঘন্টায় শুরু হয়েছে বিতর্ক।

এবার সেই বিতর্কে মন্তব্য করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। দিলীপের মতে যদি চড় মেরে থাকেন বিজেপি নেতা তাহলে ঠিক করেছেন তিনি। সঙ্গে তিনি বলেন, “এটা মানবিকতা? একজন মারা গেছেন তাঁর মৃতদেহ দেওয়া হচ্ছে না। আটকে রাখা হচ্ছে। সরকারের গালে থাপ্পড় মারা উচিত, হোমগার্ডকে মেরেছে ঠিক করেছে। মেরে ফেলেছেন, তাও শান্তি নেই। হোম গার্ডের সাহস কী করে হয়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরছেলে নাকি সে? এত চামচাগিরি কেন?”

সঙ্গেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “চাকরি তো সারাজীবন করতে হবে। আমাদের কর্মীরাও থাকবেন। তাকে পাড়ায় থাকতে হবে। কে অধিকার দিয়েছে বিধায়ক পদের প্রার্থীর সঙ্গে তুই সম্বোধন করে কথা বলার?”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত