নজরবন্দি ব্যুরোঃ অর্জুনের গড়ে ধস বিজেপির, ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক পার্থসারথি পাত্র সহ শতাধিক নেতা-কর্মী যোগ দিলেন তৃণমূলে। অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ এক কাউন্সিলরও রয়েছেন তালিকায়। উত্তর ২৪ পরগণা জেলার তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হাত থেকে সেখানে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন বিজেপি নেতা পার্থসারথি পাত্র ও ভাটপাড়া পুরসভার কো-অর্ডিনেটর সোহম চৌধুরী।
আরও পড়ুনঃ মমতার সুযোগ্য উত্তরাধিকারি অভিষেক, সাংসদের জেদে মুক্ত দেবাংশু-সুদীপ-জয়ারা!
দুই বিজেপি নেতার সাথে এদিন তৃণমূলে যোগ দেন শতাধিক বিজেপি কর্মীও। রবিবার নৈহাটি-রাজেন্দ্রপুর মোড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই যোগদেন বিজেপির নেতা কর্মীরা। যোগদান অনুষ্ঠানে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক, অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী, বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়, জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম সহ একাধিক তৃণমূল নেতা।
অর্জুনের গড়ে ধস বিজেপির, জেলার সাধারণ সম্পাদক সহ শতাধিক নেতা-কর্মী তৃণমূলে।

উত্তর ২৪ পরগণার সভায় ত্রিপুরায় তৃণমূলের ওপর হামলা প্রসঙ্গে সোচ্চার হন জ্যতিপ্রিয়। তিনি বলেন, “ত্রিপুরায় তৃণমূলের ছাত্র-যুব নেতাদের ভয় পাচ্ছে বিজেপি সরকার। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে ত্রিপুরায় বিজেপি শেষের দিন শুরু হয়ে গিয়েছে। একইভাবে বারাকপুর অঞ্চলেও বিজেপির শেষের দিন শুরু হয়ে গেল। আগামী দিনেও কর্মী-সমর্থকদের যোগদান চলবে। তবে অন্য দল থেকে কোনও নেতৃত্ব তৃণমূলে আসতে চাইলে দলীয় অনুমতি নিতে হবে।”
অর্জুনের গড়ে ধস বিজেপির, যদিও বিজেপির ব্যাখ্যা তাঁরা চিন্তিত নয় এই ভাঙন নিয়ে। এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতা পার্থসারথি পাত্র বলেন, “মুকুল রায়ের হাত ধরেই বিজেপিতে যোগদান করেছিলাম। মুকুলদা পুনরায় তাঁর পুরনো দল তৃণমূলে ফেরার কারণেই তৃণমূলে যোগদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ”



